প্রস্তুতি ম্যাচে তিন বিদেশিতেই বড় জয় ইস্টবেঙ্গলের

সঞ্জয় সেনের(Sanjoy Sen) বাংলার বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচে বড় জয় পেল ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। ৪-০ গোলে বাংলার সন্তোষ ট্রফির(Santosh Trophy) দলকে হারাল অস্তার ব্রুজোঁর(Oscar Bruzon) ইস্টবেঙ্গল। সেখানেই গোল পেলেন লাল-হলুদের ডেভিড লালহানসাঙ্গা সহ পিভি বিষ্ঞু, নাওরেম মহেশরা। আইএসএলের(ISL) আগে এই প্রস্তুতি ম্যাচ যে অস্কারকে দলের শক্তি ও দুর্বলতা বুঝতে অনেকটাই সাহায্য করবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে অবশেষে শুরু হচ্ছে এবারের আইএসএল(ISL)। যদিও তার সূচি এখনও পর্যন্ত ঘোষণা হয়নি। কিন্তু ইস্টবেঙ্গল(eASTBENGAL) কোচ প্রস্তুতিতে কোনওরকম খামতি রাখতে চাইছেন না। সেই কারণেই তো দলের শক্তি, দুর্বলতা থেকে চোট আঘাতের নানান জায়গা বুঝতে সন্তোষজয়ী বাংলা দলের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচে দলকে নিয়ে নেমেছিলেন অস্কার ব্রুজোঁ। সেখানে অবশ্য বড় ব্যবধানেই জিতল তারা। যদিও চোটের কারণে এদিনের ম্যাচে নামতে পারেননি আনোয়ার আলি। একইসঙ্গে হাল্কা চোট থাকায় সওল ক্রেসপোকেও নামানোর ঝুঁকি নেননি ইস্টবেঙ্গল কোচ। অর্থাৎ এদিন তিন বিদেশি নিয়েই নেমেছিলেন অস্কার। সেখানেও বাংলা দলকে ৪-০ গোলে হারাল লাল-হলুদ ব্রিগেড। এদিন প্রথমার্ধে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে গোল করেন জেভিড। বিরতির পর লাল-হলুদের হয়ে পরপর গোল করেন পিভি বিষ্ণু এবং নাওরেম মহেশ। শেষ মুহূর্তে ফের একটা পেনাল্টি থেকে গোল ইস্টবেঙ্গলের। এমন একটা ম্যাচ জিতে অবশ্যই ইস্টবেঙ্গলের আত্মবিশ্বাস ফিরেছে। কিন্তু শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই দেখার অপেক্ষায় সকলে।
ইস্টবেঙ্গলে জমা পড়ল ৪০০ সিভি! সূচী পেলেই বিদেশি সই

বিদেশি নেওয়া হবে একজনকে। আর সেই জন্যেই কিনা ইস্টবেঙ্গলে(Eastbengal) সিভি জমা পড়েছে ৪০০! হ্যাঁ সংখ্যাটা এর থেকে বেশিও হতে পারে। শোনাযাচ্ছে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে নাকি ইতিমধ্যে প্রায় ৫০ জনেরও বেশি এজেন্ট যোগাযোগ করে ফেলেছে। কিন্তু লাল-হলুদ কাকে নেবে তা অবশ্য এখনও পর্যন্ত ঠিক করা হয়নি। শুধু তাই নয়, সেই সিভি গুলো থেকে এখনও পর্যন্ত বাছাই পর্বও করা হয়নি। কারণ অবশ্য একটাই। যতক্ষণ না পর্যন্ত আইএসঅলের সূচি ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) হাতে আসছে, ততক্ষণ কোনওরকম বিদেশি নেওয়ার কাজও শুরু হবে না। শোনাযাচ্ছে চলতি সপ্তাহের মধ্যেই সূচী ঘোষণা হয়ে যেতে পারে আইএসএলের(ISL)। এখনও পর্যন্ত জানুয়ারি উইন্ডো চলছে। তার মধ্যে নতুন বিদেশিও(New Foreigner) বেছে নিতে পারে তারা। হামিদ আহদাদকে(Hamid Ahdad) ছাড়ার কয়েকদিনের মধ্যেই আরও এক বিদেশি হিরোশি ইবুসুকিকে(Hiroshi Ibusuki) ছেড়ে দিয়েছে ইস্টবেঙ্গল ম্যানেজমেন্ট। হামিদ নিজেই ছাড়তে চেয়েছিলেন সেই সময়ের পরিস্থিতির জন্য। আর হিরোশির পারফরম্যান্সে একেবারেই খুশি না হওয়ার জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়েছে হিরোশিকেও। কয়েকদিনের মধ্যে সরকারীভাবে তা জানিয়েও দেওয়া হবে। এরই মাঝে ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে বহু এজেন্ট যোগাযোগ করা শুরু করে দিয়েছে। তারা বিভিন্ন ফুটবলারদের প্রোফাইলও পাঠিয়ে দিয়েছে। আইএসএলের সূচি ঘোষণা হলেই, একজন বিদেশি স্ট্রাইকার নিশ্চিত করে ফেলবে ইস্টবেঙ্গল।
সম্মতি ওড়িশার, ১৪ দল নিয়েই হচ্ছে এবারের আইএসএল

অবশেষে আইএসএল( খেলার ব্যপারে সম্মতি জানিয়ে ওড়িশা এফসি(Odisha Fc)। একইসঙ্গে বাকি ক্লাব গুলোও ফেডারেশনের(AIFF) সময়সীমার মধ্যে নিজেদের সম্মতি জানিয়ে দিয়েছে। অর্থাৎ ১৪ দলকে নিয়েই আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে এবারের আইএসএল(ISL)। ওড়িশার এফসির(Odisha Fc) খানিকটা সংশয় নিয়েই হঠাৎই একটা উদ্বেগ দেখা দিয়েছিল। সেখানেই শেষপর্যন্ত এবার ওড়িশা এএফসি নিজের সম্মতি জানাতেই কার্যত সমস্ত জটিলতা কাটিয়ে দিয়েছে। একইসঙ্গে প্রতিটা ক্লাব তাগের হোম ভেন্যুও মোটামুটি পাকা করে ফেলেছে। যদিও ইন্টার কাশি(Inter Kashi) সহ কয়েকটি ক্লাব আরও দু-একদিন সময় চেয়ে নেওয়ায় ফেডারেশন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি। তবে এই সপ্তাহের মধ্যেই ফেডারেশন আইএসএলের(ISL) সূচি যে ঘোষণা করতে চলেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এখন শুধুই সরকারীভাবে ফেডারেশনের ঘোষণা করার অপেক্ষায় রয়েছেন সকলে। কলকাতাতেই যুবভারতী হতে চলেছে মোহনবাগান(Mohunbagan) ও ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) হোম গ্রাউন্ড। সেইসঙ্গে মহমেডানের হোম গ্রাউন্ড হতে চলেছে এবার কিশোরভারতী। অন্যদিকে ইন্টারকাশিও খেলতে বাংলাতেই তাদের হোমগ্রাউন্ড বাছছে। শোনাযাচ্ছে বারাসত এবং কল্যাণী স্টেডিয়ামই হতে চলেছে তাদের হোম গ্রাউন্ড। যদিও এখনও পর্যন্ত তারা চূড়ান্ত করেনি। বরং ফেডারেশনের থেকে আরও দুটো দিন সময় চেয়ে নিয়েছে। অর্থাৎ বুধবারই ফেডারেশনের কাছে নিজেদের হোম গ্রাউন্ড নিশ্চিত করে দেবে ইন্টারকাশি।
ইস্টবেঙ্গলের বিদেশি রিক্রুট নির্ভর করছে সূচী ঘোষণার ওপর

এই মরসুমে আর বিদেশি নেবে না ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। যতক্ষণ না পর্যন্ত আইএসএলের(ISL) সূচী তারা জানতে পারছে না, ততক্ষণ নতুন কোনও বিদেশি সই করাবে না লাল-হলুদ ম্যানেজমেন্ট। সূচি প্রকাশ হলেই নতুন বিদেশি রিক্রুটের পদ্ধতিও লাল-হলুদ শুরু হয়ে যাবে। হামিদের(Hamid Ahdad) পর হিরোশিকেও(Hiroshi Ibusuki) ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে সেই জায়গায় নতুন স্ট্রাইকার হিসাবে কাকে নেওয়া হবে তা অবশ্য এখনও পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। অন্যদিকে হিরোশিকে ছেড়ে দেওয়ার কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তাঁর পেপার ওয়ার্কস পুরোপুরি সম্পূর্ণ হয়নি। সেই কারণে আগামী রবিবারই ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) প্রস্তুতিতে নামতে পারেন তিনি। শোনাযাচ্ছে আগামী সপ্তাহের প্রথম দুই তিন দিনের মধ্যেই তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত সরকারীভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে। এদিকে ওয়ার্কলোডের কারণে শনিবার ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) প্রস্তুতিতে ছুটি দেওয়া হয়েছিল। শুক্রবার যেহেতু ডাবল লোড সেশন ছিল তাদের সেই কারণেই এদিন বিশ্রামের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। অন্যদিকে দুজন বিদেশিকে ছেড়ে দেওয়ার পাশাপাশি, আনোয়ার আলিকে নিয়েও পুরোপুরি চিন্তা মুক্ত হতে পারছে না ইস্টবেঙ্গল। এখনও পুরোপুরি ফিট হয়ে উঠতে পারেননি তিনি। রবিবারের প্রস্তুতিতে আনোয়ার আসেন কিনা সেটাই দেখার।
হিরোশির সঙ্গে সম্পর্ক শেষ ইস্টবেঙ্গলের

সবকিছু ঠিকঠাক হয়েই গিয়েছিল। অবশেষে সেটাই হল। শুক্রবার অনুশীলন শেষেই হিরোশি ইবুসুকিকে(Hiroshi Ibusuki) ছেড়ে দেওয়ার কথা জানিয়ে দেওয়া হল ম্যানেজমেন্টের তরফে। হামিদের পর এবার হিরোশি ইবুসুকি চ্যাপ্টারও ইস্টবেঙ্গলে(Eastbengal) অতীত। কস্ট কাটিংয়ের জন্য বিদেশি চাড়ার কতা আগেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। হিরোশি প্রথম থেকেই ইস্টবেঙ্গলের ছাড়ার তলিকায় শীর্ষে ছিল। যদিও সেই সময় হামিদ(Hamid Ahadad) চলে যান। তবে হিরোশিকে ছাড়ার বন্দোবস্ত সেই সময় থেকেই শুরু হয়েছিল। শেষপর্যন্ত এই শুক্রবারই হিরোশির সঙ্গে গোল্ডেন হ্যান্ডশেকটা সেরে ফেলল লাল-হলুদ ম্যানেজমেন্ট। একইসঙ্গে নতুন বিদেশি আনার তোড়জোড়ও শুরু হয়ে গিয়েছে। হিরোশিকে ঢাক ঢোল পিটিয়ে নিয়ে এলেও তাঁর খেলায় মোটেও সকলে খুশি ছিলনা। বিশেষত সুপার কাপেও চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছিলেন এই জাপানি তারকা ফুটবলার। মোহভঙ্গটা সেই সময়ই থেকেই হয়েছিল। এবার সম্পর্কটাও শেষ হল। সেইসঙ্গে কস্টকাটিংও চলছে লাল-হলুদে। অন্যদিকে চোট সারিয়ে এখনও সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি। শুক্রবারই ইস্টবেঙ্গলের প্রস্তুতিতে এলেন না আনোয়ার আলি(Anwar Ali)। একইসঙ্গে আইএসএলে নামার আগে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার সিদ্ধন্তও নিয়ে ফেলল ইস্টবেঙ্গল। সন্তোষ জয়ী বাংলা দলের বিরুদ্ধ শনিবার প্রস্তুতি ম্যাচে নামবে লাল-হলুদ ব্রিগেড। একইসঙ্গে এই মুহূর্তে ইস্টবেঙ্গলের বিদেশি খোঁজার কাজটাও শুরু হয়ে গিয়েছে জোরকদমে।
আবার বিদেশি ছাড়ছে ইস্টবেঙ্গল

আবার বিদেশি ছাড়ছে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। তবে কী এবার ছাটাই হতে চলেছেন হিরোশি ইবুসুকি(Hiroshi Ibusuki)। সেক্ষেত্রে ইস্টবেঙ্গলের স্ট্রাইকারের দায়িত্বে কী থাকবেন শুধুই ডেভিড! অন্তত এখনও পর্যন্ত হিসাব তো সেটাই বলছে। আইএসএল(ISL) শুরু হওয়ার তারিখ ঘোষণা হয়ে গেলেও, বেশীরভাগ দলই এখন দল কাটছাটের রাস্তায় হাঁটছে। অন্যথা নয় ইস্টবেঙ্গলও(Eastbengal)। কস্ট কাটিংয়ের জন্যই বিদেশি ফুটবলার ছেড়ে দিচ্ছে ইস্টবেঙ্গলও। ইতিমধ্যেই হামিদ চলে গিয়েছে। এবার আরও এক বিদেশিকে ছাড়তে চলেছে লাল-হলুদ ম্যানেজমেন্ট। হামিদ(Hamid Ahadad) নিজেই যেতে চেয়েছিল। এবার কী হিরোশিকেই ছেড়ে দিচ্ছে লাল-হলুদ ম্যানেজমেন্ট। কারণ তাঁর খেলায় যে ম্যানেজমেন্ট খুশি নয় তা বলাই বাহুল্য। ইস্টবেঙ্গলের ফুটবলার ছাড়ার যে তালিকা তৈরি হয়েছিল সেখানে সবার ওপরেই যে রয়েছে হিরোশির নাম। কিন্তু এখানেই প্রশ্ন উঠছে তবে ইস্টবেঙ্গলের স্ট্রাইকার হিসাবে এখন কী শুধুই থাকবেন ডেভিড। অন্যদিকে বৃহস্পতিবার থেকেই ইস্টবেঙ্গলের প্রস্তুতিতে যোগ দিলেন মিগুয়েল। বেশ খোশ মেজাজেই প্রথম দিন দেখা গেল তাঁকে। অন্যদিকে পুরোপুরি ফিট না হওয়ার জন্য এদিন অনুশীলনে এলেন না আনোয়ার আলি।
ঘরের মাঠেই আইএসএলের ম্যাচ খেলবে কলকাতার তিন প্রধান, এএফসিতে চিঠি ফেডারেশনের

আইএসএল(ISL) কলকাতাতেই হচ্ছে। ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal), মোহনবাগান(Mohunbagan) ও মহমেডানের(Mohammedan Sc) সমর্থকরা তাদের প্রিয় দলের খেলা যুবভারতীতেই দেখতে চলেছেন। সুইস মডেলে এবারের আইএসএলে হবে হোম ও অ্যাওয়ে ম্যাচ। সূত্রের খবর সেই পদ্ধতিতেও কলকাতার তিন প্রধান তাদের ঘরের ম্যাচ কলকাতাতেই খেলতে চলেছে। এটা যে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal), মোহনবাগানের কাছে বাড়তি পাওনা হতে চলেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। অন্যদিকে ক্লাব গুলোর আইএসএল(ISL) খেলার ব্যপারে এবার অন্যতম শর্ত ছিল এএফসির(AFC) স্লট পাওয়া। শোনাযাচ্ছে ইতিমধ্যেই নাকি এই মরসুমের জন্য খানিকটা ছাড়া যাতে তাদের দেওয়া হয়, সেই কথা জানিয়ে এএফসির কাছে আবেদন করে দিয়েছে ফেডারেশন। সেখানেই তারা জানিয়ে দিয়েছে যে এবারের আইএসএলে প্রতিটি দল ১৩টি করে ম্যাচ খেলবে। সেইসঙ্গে সুপার কাপে আইএসএলের দল গুলো ইতিমধ্যেই তিনটি করে ম্যাচ খেলে ফেলেছে। সুতরাং সব মিলিটে ১৬ট করে ম্যাচ খেলবে প্রতিটি দল। সেই হিসাব জানিয়েই এবারের পরিস্থিতি মতো এএফসির কাছে স্লট পাওয়ার ব্যপারে ছাড়পত্র চেয়ে আবেদন করে দিয়েছে ফেডারেশন। এদিকে ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে লিগ শুরু হলেও, সূচী এখনও পর্যন্ত তৈরি হয়নি। শোনাযাচ্ছে চার থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে সূচী ঘোষণা হতে পার। বিশেষ করে আদালতের রায় পাওয়ার পরই সূচী ঘোষণা হবে। কারণ লিগে রেলিগেশন থাকবে কী থাকবে না, সেই সমস্ত নিয়ে আদালত রায় দেবে। সেটা জানার পরই সূচীও ঘোষিত হবে।
মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গলের নাম ভুল উচ্চারণ, কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রীকে কটাক্ষ মোহনবাগান সহ সভাপতির

দেশের ক্রীড়ামন্ত্রী। সেই মনসুখ মাণ্ডব্যই(Mansukh Mandaviya) কিনা দেশের শতাব্দী প্রাচীন দুই ক্লাবের নাম ভুল উচ্চারণ করলেন! তাও আবার দেখে দেখে। মোহনবাগান(Mohunbagan) এবং ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) মতো ক্লাবের নাম ভুল বললেন। আর সেই ভিডিও ক্লিপ দেখেই সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে শুরু হয়েছে ট্রোলিং। শুধু তাই নয় এমন ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রীকে(Union Sports Minister) কটাক্ষও করতে ছাড়েননি মোহনবাগানের সহ সভাপতি তথা তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষ(Kunal Ghosh)। এই ঘটনা দুটো ক্লাব তো বটেই, বাংলাকেও অসম্মান বলে মনে করছেন তিনি। গত মঙ্গলবারই ক্লাব জোটের সঙ্গে কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রকের(Union Sports Minister) উপস্থিতিতে শেষ বৈঠকে বসেছিল ফেডারেশন(AIFF)। সেখানেই শেষপর্যন্ত প্রতিটি ক্লাবের যোগদানের কথা উল্লেখ করে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে আইএসএল শুরু হওয়ার কথা ঘোষণা করে দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য। সেখানেই ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) এবং মোহনবাগানের(Mohunbagan) নাম নিতে গিয়ে ভুল করেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী। সেখানে তিনি কাগজ দেখেই বলেন মোহনবেগেন, ইস্টবেগেন। যদিও পরে অবশ্য ফের কাগজ দেখে ভুল ঠিক করেন। কিন্তু ততক্ষণে যা হওয়ার হয়ে গিয়েছে। এই একটা ক্লিপিং কার্যত ঝড়ের মতো সোশ্যাল মিডিয়াতে ছড়িয়ে পড়ে। এমন শতাব্দী প্রাচীন ক্লাবের নাম কেমন করে তিনি দেখেও ভুল বলতে পারলেন, সেই নিয়েই উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন। তীব্র কটাক্ষ করেছেন খোদ মোহনবাগানের সহ সভাপতি কুণাল ঘোষও(Kunal Ghosh)। VIDEO | Delhi: Union Sports Minister Mansukh L Mandaviya says, “The ISL is set to return for the 2025–26 season from February 14.” (Full video available on PTI Videos – https://t.co/n147TvrpG7 pic.twitter.com/ozJqwzY6Pz — Press Trust of India (@PTI_News) January 6, 2026 তিনি জানান, “কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী দেখে দেখে মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গলের নাম উচ্চারণ করতে পারছেন না। শতাব্দী প্রাচীন দুই ক্লাব। জাতীয় ক্লাব মোহনবাগান, লড়াইয়ের নাম ইস্টবেঙ্গল। এই নামগুলো তিনি জানেন না। মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল, মহমেডান ভারতবর্ষের ফুটবলকে উজ্জ্বল করেছে। এরা বাংলার মনীষীদের অপমান করে। মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গলের নামও জানেন না। এদের দেখে রাখুন চিনে রাখুন। এরা বাংলা বাঙালীর নিজের হতে পারেন না। ক্রীড়ামন্ত্রী মনে হয় প্রথমবার নাম জানলেন মোহনবাগান ইস্টবেঙ্গলের।” সোশ্যাল মিডিয়াতে এই নিয়ে ট্রোলিং শুরু হয়েছে বিস্তর। চলছে নানান টিপ্পনিও। কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রীর সেই ভিডিওটাই এখন সোশ্যাল মিডিয়াতে বিভিন্ন মাধ্যমে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
জোড়া গোল করেই হাসপাতালে ফাজিলা, চিন্তায় ইস্টবেঙ্গল

জোড়া গোল করলেন। কিন্তু এরপরই হাসপাতালে ইস্টবেঙ্গল মহিলা দলের সেরা ফুটবলার ফাজিলা(Fazila Ikbapute)। মাঠে ধাক্কা লেগে পড়ে গিয়েছিলেন তিনি। কনকাশনের নিয়ম অনুযায়ী এরপরই মাঠে আসেন দলের ফিজিও থেকে চিকিৎসকরা। আর সেখানেই খানিকটা সমস্যা লক্ষ্য করা যায় ফাজিলার(Fazila)। কনকাশনের পর থেকেই তিনি চোখে খানিকটা ঝাপসা দেখতে শুরু করেছিলেন। এরপরই তাঁকে নিয়ে আর ঝুঁকি নেননি লাল-হলুদের ম্যানেজমেন্ট। সঙ্গে সঙ্গেই স্টেডিয়ামের কাছে একটি সরকারী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় ফাজিলাকে। বড়সড় কিছু না হলেও, সেখানে ফাজিলার স্ক্যান করানো হয়েছে। তবে রিপোর্ট এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। যদিও টিম ম্যানেজমেন্ট সূত্রে খবর তেমন বড়সড় কিছু হয়নি। তবে ফাজিলা পরের ম্যাচে খেলতে পারবেন কিনা তা নিয়ে একটা জল্পনা কিন্তু এখন থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে। এই মুহূর্তে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে দুরন্ত ফর্মে রয়েছেন ফাজিলা। ইন্ডিয়ান ওমেন্স লিগের প্রতিটি ম্যাচেই গোল করার পাশাপাশি দুরন্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন তিনি। এমনকি এদিন কিকস্টার্ট এফসির বিরুদ্ধেও ফাজিলার পা থেকে এসেছে জোড়া গোল। সেখানেই প্রতিপক্ষকে ইস্টবেঙ্গল হারিয়েছে ৫-০ গোলে। ফাজিলা ছাড়াও এদিন ইস্টবেঙ্গলের হয়ে গোল করেছেন রেস্টি নাজির, সুলঞ্জনা রাউল এবং অষ্টম ওরাও। এদিনও শুরু থেকেই ম্যাচের দখল ছিল ইস্টবেঙ্গলেরই। শুরু থেকেই অ্যান্থনি অ্যান্ড্রুজের দল আক্রমণের ঝড় তুলেছিল। সেখানেই শেষপর্যন্ত ৫-০ গোলে জয়ও তুলে নেয় তারা।
ইন্দোনেশিয়ার ক্লাবে ডাক! ইস্টবেঙ্গল ছাড়লেন হামিদ

প্রস্তুতি শুরুর দিনই ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) সমর্থকদের জন্য খারাপ খবর। লাল-হলুদ ছেড়ে দিলেন মরক্কোয় হাকিমির দলে খেলা হামিদ আহদাদ(Hamid Ahadad)। শোনাযাচ্ছে হামিদ নিজেই নাকি ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) ছাড়তে চেয়েছিলেন। ইন্দোনেশিয়ার ক্লাবে নাকি ডাক পেয়েছেন তিনি। সেইসঙ্গে ভারতীয় ফুটবল শুরু হওয়া নিয়ে এখনও পর্যন্ত একটা অনিশ্চয়তা রয়েই গিয়েছে। শেষপর্যন্ত হামিদের(Hamid Ahadad) আবেদনে সায় দিয়ে তাঁকে ছেড়ে দেওয়ারি পথে হাঁটল লাল-হলুদ ব্রিগেড। সোমবারই সরকারীভাবে সেই ঘোষণা করে দিল ইস্টবেঙ্গল। এবারের ইস্টবেঙ্গল শিবিরে অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিলেন হামিদ আহদাদ(Hamid Ahadad)। সুপার কাপের মঞ্চেও নজর কেড়েছিলেন তিনি। কিন্তু কী এমন হল যে সেই তারকা ফুটবলারকেই ছেড়ে দিতে হল ইস্টবেঙ্গলের। যদিও এটা পুরোপুরি ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) সিদ্ধান্ত নয়। ইন্দোনেশিয়ার ক্লাব থেকে ডাক পেয়েছেন এই মরোক্কান তারকা ফুটবলার। আর সেই কারনেই নাকি ইস্টবেঙ্গল ছাড়তে চেয়েছিলেন। ইস্টবেঙ্গলও অবশ্য তাঁর সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়েছে। এখনও পর্যন্ত আইএসএল কবে হবে তা চূড়ান্ত কিছু হয়নি। সেইসঙ্গে লাল-হলুদের অন্দরেও কস্ট কাটিংয়ের একটা ভাবনা শুরু হয়েছিল। কারণ খেলা না হলেও ফুটবলারদের টাকা তাদের দিয়ে যেতেই হচ্ছিল। সেখানে হিরোশিকে নিয়েই অবশ্য প্রধান ভাবনা ছিল তাদের। কিন্তু সেই পরিস্থিতিতেই ছেড়ে গেলেন হামিদ। কিন্তু প্রশ্ন উঠতেই পারে ইস্টবেঙ্গল হিরোশিকে না ছেড়ে তাঁকে ছেড়ে দিতে চাইল কেন। কারণ একটাই কস্ট কাটিং। কারণ হামিদের সঙ্গে টাকার অঙ্কটা ছিল সাড়ে তিন কোটি। আর হিরোশির অঙ্কটা সেখানে ২ কোটি টাকা। সেক্ষেত্রে হামিদের চলে যাওয়ায় ইস্টবেঙ্গলের আর্থিক দিকের সমস্যাটা খানিকটা হলেও কমল বলাই চলে। যদিও সেই জায়গায় নতুন কোনও বিদেশি ইস্টবেঙ্গল নেবে কিনা তা এখনও পর্যন্ত নিশ্চিত নয়। যদিও জানুয়ারি উইন্ডো খোলা রয়েছে। কিন্তু আইএসএলের দিনও ঘোষণা হয়নি। সেটা হলেই যে ইস্টবেঙ্গলও নতুন বিদেশি নেওয়ার জন্য ঝাপাতে পারে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।