এবার কি তবে সরকারি কার্নিভালের পাল্টা বিজেপির কার্নিভাল?

এবার কি মমতার পাল্টা সজল? না, ২৬-এর ভোটে প্রার্থী হওয়ার বিষয় নয়, এবার দুর্গাপুজো ঘিরেও তপ্ত হল বঙ্গ রাজনীতি। দুর্গাপুজোয় সরকারি তরফে প্রতিবছরই কার্নিভাল হয়। শুধুমাত্র কলকাতা নয়, রাজ্যের প্রতিটি জেলাতেই সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় পুজোর কার্নিভাল, এটাই এখন দুস্তুর। কিন্তু এবার সরকারি কার্নিভালের পাল্টা শুধুমাত্র উত্তর কলকাতায় দুর্গাপুজোর কার্নিভাল করার ইচ্ছে প্রকাশ করলেন বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষ। যিনি আবার সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির অন্যতম উদ্যোক্তাও। তবে এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোন চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসেননি এই বিজেপি নেতা। একেবারে স্থানীয় স্তরে এই কার্নিভাল আয়োজনের ইচ্ছেপ্রকাশ করেছেন তিনি। উত্তর কলকাতায় আলাদা কার্নিভালের ইচ্ছাপ্রকাশ করে বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষ বলেন, “আমরা যারা কার্নিভাল করি না, আমার ইচ্ছে আছে, যে আমরা অঞ্চলের মধ্যে একটা কার্নিভাল করতে পারি কিনা। আমরা পাড়ার লোকেরা একসাথে ঘুরে যদি একটা কিছু করা যায়, তাহলে জিনিসটা অনেক দৃষ্টিনন্দন হবে, সুন্দর হবে। চন্দননগরে যে যেখানে ভাসান দিক, জিটি রোডটা ধরে সবাই সুন্দর করে একসাথে সমস্ত জগদ্ধাত্রী পুজো, তাদের সমস্ত মিছিল নিয়ে, মাকে নিয়ে তাঁরা প্রদক্ষিণ করে। যদি সেটা করা যায়। এটা একেবারে ভাবনার পর্যায়ে। এটা একেবারে পাড়াতুতো ব্যাপার।” উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে, রাজ্য সরকারের তরফে কলকাতায় শুরু হয়েছিল দুর্গাপুজোর কার্নিভাল। তবে তার পাল্টা শুধুমাত্র উত্তর কলকাতার জন্য কার্নিভাল করার পিছনে রাজনীতি আছে বলে মনে করছেন তৃণমূল বিধায়ক ও কলকাতা পুরসভার ডেপুটি মেয়র। তিনি বলেন, “নিঃসন্দেহে রাজনীতি। এখন ওঁরা রাজনৈতিকভাবে, বিরোধী দলগুলি তাঁরা সবাই বাংলার এই স্বীকৃতিটাকে স্বীকার করতে চায় না। স্বাভাবিকভাবে তার একটা কাউন্টার করে নিজেদের লাইমলাইটে আসার একটা প্রচেষ্টা। গত ৪ বছরে ওঁর মনে পড়ল না, হঠাৎ ২৬-এর আগে ওঁর মনে পড়ল যে আলাদা করে একটা কার্নিভাল করি। তার মানে বিজেপি প্রচুর টাকা ছড়িয়ে, পুজো কমিটিগুলোকে কেনার চেষ্টা করবে, তাদের মিছিলে হাঁটানোর।”