ভাঙল কালভার্ট, যোগাযোগ বিছিন্ন কলকাতা-দীঘার!

পুজোর মরসুম চলছে। সেইসঙ্গে সপ্তাহের শেষ। বাঙালিদের অন্যতম প্রিয় ঘুরতে যাওয়ার জায়গা দীঘা। কিন্তু সেই দীঘা যাত্রাতেই এবার বিপত্তি। ভোগান্তির মুখে বহু পর্যটক। ১১৬ বি জাতীয় সড়কের কালভাট ভেঙে রাস্তা বন্ধ। আর তাতেই কলকাতা থেকে দীঘার সম্পর্ক কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। কোনও গাড়িই কলকাতা থেকে দীঘার উদ্দেশে যেমন যেতে পারছে না, তেমনই কলকাতায় ফেরার গাড়িও দাঁড়িয়ে রয়েছে। আর তাতেই ভোগান্তিতে পড়েছে অসংখ্য পর্যটকরা। শনিবার সাকালেই ঘটেছে এই ঘটনাটা। পুলিশ সূত্রা জানা গিয়েছে মরিশদার কাছে এদিন দুপুরে আচমকাই ভেঙে পড়েছে একটি কালভার্ট। আর তাতেই বহন্ধ করে দিতে হয়েছে সমস্ত যানবাহন চলাচল। এতে যেমন সমস্যায় পড়েছে সাধারণ যাত্রীরা, তেমনই অসুবিধায় পড়েছেন পর্যটকরাও। একে শনিবার, আর সেইসঙ্গে এমন ঘটনা সমস্যা যে বাড়িয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আপাতত কোলাঘাট থেকে দিঘাগামী যানবাহনগুলিকে বাজকূল এবং হেঁড়িয়া হয়ে এগরা দিয়ে কাঁথি এবং দিঘার দিকে পাঠানো হচ্ছে। দীঘাগামি এবং কলকাতায় আসার গাড়িগুলো আপাতত রাস্তার দুপাশেই দাঁড়িয়ে রয়েছে। এরফলেই বিপাকে পড়েছেন বহু পর্যটকরা। শনিবার বরাবরই দীঘায় ভিড় একটু বেশি হয়। শর্ট ট্রিপের জন্য বাঙালিদের কাছে যে দীঘা অন্যতম পছন্দের স্পট তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আপাতত কলকাতাগামী গাড়ি গুলোকে রামনগর বাজার এবং কাঁথির থেকে এগরার দিকে পাঠানো হচ্ছে৷
বজ্র পাতে পুড়ে গেলো দীঘার জগন্নাথের ধ্বজা

প্যারালাল নিউজ ডেস্ক: বজ্রপাতে পুড়ে গেলো দীঘার জগন্নাথ কালচারাল সেন্টার এর মন্দিরের ধজ্বা। পূর্ব মেদিনীপুরেও সকাল থেকে প্রবল বজ্র বিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাত চলছে। যার থেকে বাদ যায়নি সমূদ্র সুন্দরী দিঘাও। সকাল থেকেই দীঘাতে’ও প্রবল বৃষ্টিপাত। আর জেরে হওয়া বজ্রপাতে পুড়ে যায় দীঘার মন্দিরের ধজ্বা। যা নিয়ে সকালে নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন বিরোধী দলনেতা। এমনকী ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করার ফলে এই ঘটনা ঘটেছে বলে লেখেন তিনি। পাশাপাশি শুভেন্দু অধিকারীর আরও অভিযোগ। ” রাজনীতির জন্য ধর্ম নিয়ে ছেলেখেলা তিনি ভালো ভাবে নেন নি। বিধর্মীদের যথেচ্ছ প্রবেশ, আমিষ খাবার খেয়ে শাস্ত্রবিধি না মেনে পুজো অর্চনা, রথের রশি জুতো দিয়ে মাড়ানো সব ভুরি ভুরি অনাচার। কোনো একজনের অহংবোধকে তুষ্ট করতেই মহাপ্রভু কে ব্যবহার করা হচ্ছে। কিন্তু কথায় আছে ” চখা আঁখি সবু দেখুচি…।” গোটা বিষয় বিরোধী দলনেতার বক্তব্যকে কিছুটা মান্যতা দিয়েছে পুরীর সেবাইত রাজেশ দ্বৈতপতি। তাঁর মতে, “পুজোর বিঘ্ন থেকে এই ঘটনা ঘটতে পারে। তবে ঠিক হয়ে যাবে। বিরোধী দলনেতা যে অভিযোগ করেছে পুজো ঠিক ঠাক না হওয়ার সেটাও হতে পারে সব খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”