বিজেপি বিধায়কের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলে, এসডিও অফিসে ডেপুটেশন

উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক স্বপন মজুমদারের বিরুদ্ধে বনগাঁ দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের সাধারণ মানুষরা মঙ্গলবার বনগাঁ এসডিও (SDO) অফিসে একটি ডেপুটেশন জমা দেয়। তাদের অভিযোগ ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম নেই স্বপন মজুমদার ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের। পরবর্তীতে তাঁরা কবে ভোটার তালিকায় নাম তুলেছে সেই বিষয়ে আমরা জানতে চাই বলেই এসডিও-র দারস্থ হয়েছি। বিজেপি সাংসদ ও বিধায়করা যখন জোর করে বাংলায় সিএএ করানোর চেষ্টা করছে, তখন আমরাও চাই এই বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ করা হোক। যদিও সাধারণ মানুষের এই অভিযোগের পাল্টা বিজেপি বিধায়ক স্বপন মজুমদার জানিয়েছেন, “এটা সত্য যে ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় আমার নাম নেই। কারণ আমি সেই সময় কর্মসূত্রে মুম্বাইতে ছিলাম। আমার বয়স তখন ১৮-১৯ বছর ছিল। তার আগেই আমার বাবা মারা গিয়েছিলেন। পরবর্তীতে ২০১২-১৩ সালে ২৪-২৫ বছর বয়সে আমার ভোটার তালিকায় নাম ওঠে। এটা খুব স্বাভাবিক ব্যাপার, অনেকের ক্ষেত্রে হয়। আর এটা তো ঠিক যে আমরা উদ্বাস্তু। বাবা-মা বাংলাদেশ থেকে এসেছে ১৯৭১ সালে, তার প্রমাণ অবশ্যই আমি দেখাব।” তিনি আরও জানান, “তৃণমূলের চোরগুলো সাধারণ মানুষের নাম করে বিভ্রান্ত করছে। সবাইকে আবেদন করতে অনুরোধ করছি।” তিনি সিএএ(CAA)-তে আবেদন করবেন কিনা সে প্রসঙ্গে বলেন, “আমি জন্মসূত্রে ভারতীয়। আমার মা সিএএ-তে আবেদন করবে।” এই বিষয়ে বনগাঁ জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস বলেন, “স্বপন মজুমদারের মত মানুষরা অবৈধ পথ অবলম্বন করে ভোটার লিস্টে নাম তুলেছে। শুধু তাই নয়, বিজেপি নেতা অশোক কীর্তনিয়ারও কোনও বৈধ কাগজপত্র নেই। এরা সকলেই অবৈধ পথ অবলম্বন করে এখানকার ভোটার তালিকায় নাম তুলেছেন। এখানে এসে ওয়াশিং মেশিনে ঢুকে গেছে ওরা। ভাবছে ওয়াশিং মেশিনে ঢুকে গেলে পরিষ্কার হয়ে যাবে। অন্ধকার জগতের লোক বিজেপি করছে। ২০২৬ সালে মানুষ এর উপযুক্ত জবাব দিয়ে দেবে।”