আইপিএল দিয়েই মাঠে ফিরতে পারেন শ্রেয়স

একাধিকবার চোট সারিয়ে ফিরে এসেছেন শ্রেয়স আইয়ার(Shreyas Iyer)। সেটা কখনও কাঁধের চোট সারিয়ে তো কখনও পায়ের চোট সারিয়ে মাঠে ফিরেছেন এবং অসাধারণ কামব্যাক করেছেন। কিন্তু এবার অ্যাবডমিনাল চোটের জন্য ফের মাঠের বাইরে রয়েছেন শ্রেয়স আইয়ার(Shreyas Iyer)। কিন্তু মাঠে ফেরার কাজটা শুরু হয়ে গিয়েছে। শোনাযাচ্ছে সবকিছু ঠিকঠাক চললে আসন্ন আইপিএল দিয়েই মাঠে ফিরতে চলেছেন ভারতীয় ওডিআই দলের সহ অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ওডিআই সিরিজ চলাকালীনই ডাইভ দিয়ে ক্যাচ ধরাকালীন বড়সড় চোট পেয়েছিলেন ভারতীয় দলের তকারকা ক্রিকেটার শ্রেয়স আইয়ার(Shreyas Iyer)। সেই সময় মামুলি চোট মনে হলেও, পরবর্তীতে সেটাই বড় আকার ধারণ করেছিল। শরীরের অ্যাবডমিনাল অংশে হঠাৎই আভ্যন্তরীন রক্তক্ষরণ হয়েছিল শ্রেয়সের। সেই থেকেই আর মাঠে ফিরতে পারেননি তিনি। ধীরে ধীরে শ্রেয়স সুস্থ হয়ে উঠলেও, এখনও পর্যন্ত চিকিৎসকের কড়া পর্যবেক্ষণে রয়েছেন এই তারকা ক্রিকেটার। বিশেষ করে তাঁর দ্বিতীয় স্ক্যান না হওয়া পর্যন্ত কোনওরকম ভাবেই বোঝায় যাবে না যে শ্রেয়স কবে সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন। শোনাযাচ্ছে ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহেই হতে পারে সেই স্ক্যান। তারপরই শ্রেয়সের রিহ্যাব শুরু হওয়ার একটা পরিকল্পনা রয়েছে। এই মুহূর্তে তাঁকে অত্যন্ত সাবধানেই চলা ফেরার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। ক্রিকেট মাঠে নামার মতো কোনওরকম অনুশীলনই এখন তিনি করতে পারবেন না। অত্যন্ত হাল্কা অনুশীলনই সারতে পারবেন শ্রেয়স(Shreyas Iyer)। ফের যাতে তাঁর রক্তক্ষরণ শুরু না হয় সেদিকেই আপাতত চিকিৎসকলের প্রধান নজর। জসপ্রীত বুমরাহ থেকে ঋষভ পন্থরা যে চিকিৎসকলের পর্যবেক্ষণে ছিলেন, সেই চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানেই রয়েছেন ভারতীয় ওডিআই দলের সহ অধিনায়ক। তবে মনে করা হচ্ছে ডিসেম্বরের শেষের দিকেই তিনি বোর্ডের সেন্টার অব এক্সিলেন্সে যোগ দিতে পারেন। সেখানে রিহ্যাব করার পর ফের একটা পরীক্ষা হবে শ্রেয়স আইয়ারের। সবকিছু ঠিকঠাক চললে আসন্ন আইপিএল দিয়েই হয়ত মাঠে ফিরতে চলেছেন পঞ্জাব কিংসের অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার।
বিজয় হাজারে খেলতে রোহিত-বিরাটকে জোর করবে না বোর্ড

রোহিত শর্মা(Rohit Sharma) যে এবার বিজয় হাজরে ট্রফিতে(Vijay Hazare Trophy) খেলবেন সেই কথা কয়েকদিন আগেই জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। এরপর থেকেই শোনাযাচ্ছে যে বিজয় হাজারে-তে(Vijay Hazare Trophy) খেলতে নামবেন বিরাট কোহলিও। কিন্তু সেই পরিস্থিতিতেই একটা বড় বার্তা বোর্ডের তরফে। বিরাট(Virat Kohli) এবং রোহিতকে(Rohit Sharma) নাকি কোনওরকম জোর করেনি বিসিসিআই(BCCI)। বিজয় হাজারে ট্রফি খেলা নাকি একেবারেই এই দুই ক্রিকেটারের নিজস্ব ইচ্ছা। বোর্ডের(BCCI) এমন কথা বলার পর থেকেই বাড়তে শুরু করেছে জল্পনা। যেখানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট না থাকলে বোর্ডই ক্রিকেটারদের ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলার নির্দেশ দিয়েছিল। সেখানেই এবার বোর্ড বলছে বিরাট(Virat Kohli) এবং রোহিতকে(Rohit Sharma) বিজয় হাজারে খেলার জন্য নাকি কোনওরকম বিশেষ নির্দেশই দেয়নি বিসিসিআই। হঠাৎ বিসিসিআই এমন কথা কেন বলছেন তা নিয়েই ক্রিকেট মহলে জল্পনা এখন তুঙ্গে। রোহিত শর্মাতো অবশ্য সৈয়দ মুস্তাক আলির নক আউট পর্বে খেলার কথাও নাকি তাঁর ঘনিষ্ঠমহলে বলেছিলেন। কিন্তু বিসিসিআইয়ের এমন আচরণ অনেকের মনের মধ্যেই নানান প্রশ্ন তুলছেন। বিশেষ করে যে প্রশ্ন উঠছে তা হল, নির্বাচকরা সত্যিই চাইছেন না তারা ওডিআই বিশ্বকাপ খেলুক। এই নিয়েই এখন নানান জল্পনা চলছে। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটা তো সময়ই বলবে। তবে এই দুই ক্রিকেটার দেশের জার্সিতে ফিরেই নিজেদের সেরা পারফরম্যান্সটা দেখিয়ে দিয়েছেন। বিরাট কোহলি সর্বোচ্চ রান করে সিরিজের সেরা হয়েছেন। ব্যাটে বড় রান এসেছে খোদ রোহিত শর্মারও। এবার তারাই বলছেন খেলবেন বিজয় হাজারে ট্রফি। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই দেখার।
কটকে টি টোয়েন্টি সিরিজের আগে দলে যোগ দিলেন গিল

চোট কাটিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টি টোয়েন্টি সিরিজ দিয়েই ফের মাঠে ফিরছেন শুভমন গিল(Shubman Gill)। এখন তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ। প্রথম টি টোয়েন্টি থেকেই ফের ভারতীয় দলের জার্সিতে দেখা যেতে চলেছে এই তারকা ক্রিকেটারকে। বেশ কয়েকদিন ধরেই রিহ্যাব সারছিলেন বিসিসিআইয়ের(BCCI) সেন্টার অব এক্সিলেন্সে(COE)। চিকিৎসকদের মতে এখন শুভমন গিল সম্পূর্ণ সুস্থ। মাঠে নামতে তাঁর আর অন্তত কোনওররম সমস্যা নেই বলেই জানিয়ে দিয়েছেন চিকিৎসকরা। ইতিমধ্যেই কটকে ভারতীয় দলের সঙ্গে যোগও দিয়ে দিয়েছেন শুভমন গিল(Shubman Gill)। সোমবার দলের সঙ্গে প্রস্তুতিও সারতে নেমে পড়েছিলেন তিনি। গিলের(Shubman Gill) ভারতীয় দলে ফেরাটা যে সূর্যকুমার যাদবদের(Suryakumar Yadav) আক্মবিশ্বাস অনেকটাই বাড়াবে তা বলার অপেক্ষা রাখো না। এবার প্রোটিয়া বোলারদের বিরুদ্ধে ব্যাট হাতে ফের বড় রানের ঝলক তিন দেখাতে পারেন কিনা সেদিকেই তাকিয়ে সকলে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচেই ঘাঁরে চোট পেয়েছিলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক শুভমন গিল(Shubman Gill)। এমনকি একটা দিন তাঁকে হাসপাতালেও কাটাতে হয়েছিল। এরপর থেকেই আর মাঠে নামতে পারেননি ভারতীয় দলের এই তারকা ক্রিকেটার। গুয়াহাটিতে সেই সময় গেলেও শেষপর্যন্ত ভারতীয় দলের হয়ে আর মাঠে নামতে পারেননি। মুম্বইতেই সেই সময় ফিরে গিয়েছিলেন তিনি। এরপরই চন্ডীগড় হয়ে শেষপর্যন্ত বিসিসিআইয়ের(BCCI) সেন্টার অব এক্সিলেন্সে যোগ দিয়েছিলেন শুভমন(Shubman Gill)। সেখানেই চিকিৎসকদের কড়া পর্যবেক্ষণে ছিলেন এই তারকা ক্রিকেটার। সেখানেই শুরু হয়েছিল ভারত অধিনায়কের রিহ্যাব সেশন। আপাতত তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ। শোনাযাচ্ছে চিকিৎসকরা নাকি জানিয়েছেন যে শুভমন গিলের ঘাঁরের কোনও সমস্যাই নাকি এখন আর নেই। শুধুমাত্র তাই নয় মাঠে নামতেও এই তারকা ক্রিকেটারের কোনওরকম সমস্যা নেই বলেও জানিয়ে দিয়েছিলেন তারা। এরপরই আর সময় নষ্ট করতে চাননি শুভমন গিল। টি টোয়েন্টি সিরিজের আগে ভারচতীয় দলে যোগ দিয়েছেন তিনি। গত রবিবার রাতেই ভারতীয় দলের সঙ্গে কটকেও পৌঁছে গিয়েছেন শুভমন গিল।
বোর্ডের তলব আগরকর, গম্ভীরকে

দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ওডিআই ম্যাচে নামার আগে হঠাৎই প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর(Gautam Gambhir) এবং প্রধান নির্বাচক অজিত আগরকরকে(Ajit Agarkar) ডেকে পাঠালো বিসিসিআই(BCCI)। শোনাযাচ্ছে আগামী ওডিআই বিশ্বকাপ এবং সেখানে রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলির(Virat Kohli) ভবিষ্যৎ নিয়ে টিম ম্যানেজমেন্টের কী পরিকল্পনা রয়েছে তা নিয়েই নাকি আলোচনা হবে। বিশেষ করে রোহিত এবং কোহলির পারফরম্যান্স দেখার পর থেকেই এমন আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার(South Africa) বিরুদ্ধে প্রথম ওডিআই ম্যাচেই বিধ্বংসী ফর্মে ছিলেন ভারতীয় দলের তারকা বিরাট কোহলি(Virat Kohli)। ওডিআই কেরিয়ারের ৫২ তম সেঞ্চুরিটা পেয়েছেন রাঁচিতেই। একইসঙ্গে ৫১ বলে ৫৭ রানের দুরন্ত অর্ধশতরানের ইনিংস খেলেছেন রোহিত শর্মাও(Rohit Sharma)। এরপর থেকেই তাদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রাক্তন থেকে বিশেষজ্ঞরা। এরপরই যেন খানিকটা নড়ে চড়ে বসেছে বিসিসিআই। বেশ কয়েকদিন ধরেই বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মার আসন্ন ওডিআই বিশ্বকাপ খেলা ঘিরে একটা জল্পনা চলছে। বিশেষ করে তাদের টেস্ট থেকে অবসরের পর আদৌ গৌতম গম্ভীরের পরিকল্পনায় তারা রয়ছেন কিনা। এরই মাঝে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে নেমেছে ভারত। সেখানেই ওডিআই সিরিজে খেলছে তারা। শোনাযাচ্ছিল এই সিরিজের ওপর নাকি রোহিত এবং বিরাটের ওডিআই বিশ্বকাপ খেলার ভবিষ্যৎও অনেকটা নির্ভর করছে। সেখানে প্রথম ম্যাচে নেমেই সেঞ্চুরি ইনিংস বিরাটের। অর্ধশতরানের ইনিংস রোহিত শর্মার। এরপরই বোর্ডের তলব বোর্ডের নির্বাচক থেকে ভারতীয় দলের প্রধান কোচ গৌতম গম্বীরকে। যদিও সেখানে আরও অনেক বিষয় নিয়েই হবে আলোচনা। তবে মনে করা হচ্ছে যে রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলিই সেখানে প্রধান আলোচনার বিষয়। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই দেখার অপেক্ষায় সকলে।
অ্যাওয়ে সিরিজে নিয়মিত সদস্য, রঞ্জি ট্রফিতে উদাসীন আগরকর!

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট না থাকলে সেই সময় ক্রিকেটারদের ঘরোয়া ক্রিকেট খেলার উপর জোর দিয়েছে বিসিসিআই(BCCI)। কিন্তু সেই নিয়মই যেন মানছেন না খোদ ভারতীয় দলের প্রধান নির্বাচক(Chief Selector)। কারণ এই রঞ্জি ট্রফিই(Ranji Trophy) হল ভারতী দলে সুযোগ পাওয়ার অন্যতম প্রধান মঞ্চ। ফলে সেখানেই যে নির্বাচকদের সবচেয়ে বেশি নজর থাকবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু ভারতীয় দলের প্রধান নির্বাচক অজিত আগরকরের(Ajit Agarkar) যেন সেদিকে খুব একটা বেশি খেয়ালই নেই। বরং ভারতীয় দলের প্রতিটি বিদেশ ট্যুরের সময় তিনি কিন্তু নিয়মিত সদস্য হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ভারতীয় দলের হোয়াইট ওয়াশ হওয়ার পর দল নির্বাচন নিয়ে জোর সমালোচনা চলছে। সেখানে অজিতত আগরকরের(Ajit Agarkar) নামও যে বারবার উঠে আসছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ক্রিকেটার নির্বাচনের পদ্ধতি নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। সেই সময়ই আগরকরের(Ajit Agarkar) ঘরোয়া ক্রিকেট নিয়ে উদাসীনতার ছবিও ধরা পড়েছে। দশকের পর দশক ধরে ভারতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার প্রধান মঞ্চ রঞ্জি ট্রফি(Ranji Trophy)। বিশেষ করে টেস্ট ফর্ম্যাটে সুযোগ পাওয়ার ক্ষেত্রে। সেখানেই যে নির্বাচকের উপস্থিতি অত্যন্ত জরুরী তা বলার অপেক্ষা রাখে না। নির্বাচকরাই তো ক্রিকেটারদের তুলে আনেন বরাবর। যদিও আগরকর জামানায় যেন খানিকটা বদলে গিয়েছে সেই ছবিটা। যখন ভারতীয় দলের খেলা নেই, সেই সময় নাকি আগরকর(Ajit Agarkar) আবার ব্যস্ত থাকেন গল্ফ খেলা নিয়ে কিংবা অন্যান্য কোনও অনুষ্ঠান নিয়ে। তিনি নির্বাচক হওয়ার পর থেকেই বেশিরভাগ সময় ভারতীয় দলের সঙ্গে হোম এবং অ্যাওয়ে ম্যাচেই সময় কাটাচ্ছেন। বিশেষ করে অ্যাওয়ে ম্যাচের সময় তো ভারতীয় দলের সঙ্গে একেবারে নিয়মিত সদস্য হয়ে পড়েছেন তিনি। কিন্তু কেন এমনটা হচ্ছে। ঘরোয়া ক্রিকেটের প্রতি কী দেশের প্রধান নির্বাচকই এখন উদাসীন হয়ে পড়েছেন। আগরকরের ভূমিকা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ঘরোয়া ক্রিকেটের সময় নির্বাচক কেন উপস্থিত থাকছেন না বেশিরভাগ জায়গায়, অনেকেই কিন্তু এই ঘটনাকে খুব একটা ভালোভাবে দেখছেন না। বোর্ডের নতুন নীতি অনুযায়ী ঘরোয়া ক্রিকেটের ওপর অত্যন্ত জোর দেওয়া হলেও, নির্বাচকের ভূমিকা প্রশ্ন তুলতেই বাধ্য করছে সকলে।