খড়দহে বহুতল থেকে উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র, আটক এক

ঝা চকচকে বহুতল। আর সেখানেই অস্ত্রভাণ্ডার! গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে সেখানে তল্লাশি চালাতেই চক্ষু চড়কগাছ। উদ্ধার ১৫ টি আগ্নেয়াস্ত্র, সাথে ১০০০ রাউন্ড গুলি। ঘটনাটি উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহের রিজেন্ট পার্ক এলাকায়। প্রবল শোরগোল এলাকায়। তবে ঠিক কী কারণে আবাসনে এত অস্ত্র মজুত করা হয়েছিল? তাই ভাবাচ্ছে পুলিশকে। এর পিছনে কী বড়সড় ষড়যন্ত্রের ছক? খড়দহের রিজেন্ট পার্ক এলাকায় রয়েছে এই বহুতল প্রতিভা মঞ্জিল। সোমবার সকালে হঠাৎই সেই আবাসনে হানা দেয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের গোয়েন্দা শাখা শুরু করে তল্লাশি। আর তাতে উদ্ধার হয় ১৫ টি আগ্নেয়াস্ত্র সাথে হাজার রাউন্ড গুলি। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ফ্ল্যাট থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ছাড়াও কয়েক লক্ষ টাকার সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। মিলেছে নগদও। আটক করা হয়েছে লিটন চক্রবর্তী নামে এক ব্যক্তিকে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই এই অস্ত্র ভাণ্ডারের রহস্যভেদ হবে বলে আশাবাদী তদন্তকারীরা।
ত্রিকোণ প্রেমের পরিণতিতে মা ও মেয়েকে খুন, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা অভিযুক্তকে

ত্রিকোণ প্রেম, আর তা থেকেই খুন হন মা ও মেয়ে। বছর পাঁচেক আগে এই হাড় হিম করা হত্যা নিয়ে রীতিমতো চাঞ্চল্য শুরু হয় গোটা বাংলায়। আর এই জোড়া খুনের ঘটনায় অভিযুক্তকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের সাজা দিল তমলুক জেলা আদালত। ২০২০ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি হলদিয়ার হলদি নদীর পারে মেলে মা রমা দে ও অষ্টাদশী জেসিকার অর্ধদগ্ধ দেহ। মা ও মেয়েকে একসঙ্গে পুড়িয়ে হত্যা করার ঘটনায় গ্রেফতার করা হয় সাদ্দাম হোসেন নামে এক যুবককে । আর এই জোড়া খুন নিয়ে তোলপাড় পড়ে যায় গোটা রাজ্যে। শনিবার সেই মামলাতেই অভিযুক্ত সাদ্দাম হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল আদালত। সাদ্দাম হোসেন নামে ওই যুবকের সঙ্গে প্রথমে সম্পর্ক ছিল মৃত রমা দে’র সঙ্গে পরে রমা দেবীর ১৮ বছরের মেয়ে জেসিকার সাথেও সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে সাদ্দাম। উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুরের বাসিন্দা রমা দের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হওয়ায় মা ও মেয়েকে হলদিয়া য় বাড়াবাড়িতে নিয়ে আসে অভিযুক্ত। যাতায়াত করতে করতে শেষ পর্যন্ত রমা দের মেয়ে ১৮ বছরের জেসিকার সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হয় সাদ্দামের। দু’জনের সঙ্গে প্রেম থাকলেও শেষ পর্যন্ত মা নয় মেয়ে জেসিকাকেই বিয়ে করে অভিযুক্ত। পরবর্তীতে জেসিকার মায়ের সঙ্গে সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছিল সাদ্দাম। তবে তা না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত, মা ও মেয়েকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হলদি নদীর ধারে ঝিকুরখালি এলাকায় নিয়ে এসে দুজনের গায়ে পেট্রোল ঢেলে দেয় আগুন লাগিয়ে দেয়, ঘটনায় ৯০ দিনের মাথায় চার্জশিট দেয় পুলিশ। ৫ বছর মামলা চলার পর শেষ পর্যন্ত শনিবার রায় ঘোষণা করা হলো ৩০২(খুন) ও ৩o১ ধারায়।