খসরা চূড়ান্ত হলেই ক্লাবেদের সঙ্গে বৈঠকে অনির্বান দত্তদের কমিটি

ফেডারেশন(AIFF) এবং ক্লাব জোট(ISL Clubs), দুই তরফের স্বার্থরক্ষা করেই এগোতে চাইছে নতুন তিন সদস্যের কমিটি। আইএসএল(ISL) কীভাবে করা যায় তারই খসরা তৈরির দায়িত্ব পড়েছে এবার তিন সদস্যের এক নতুন কমিটির ওপর। সেখানেই রয়েছেন আইএফএ সচিব অনির্বান দত্ত(Anirban Dutta) সহ কেরালা এবং গোয়া ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতিও। ইতিমধ্যে নিজেদের মধ্যে কয়েকটি প্রস্তাবও তারা করে ফেলেছে। সেখান থেকেই বাছাইয়ের কাজ চলছে। কমিটিতে সদস্যরা ইতিমধ্যেই একটা করে প্রস্তাব পেশ করে দিয়েছে। সেখান থেকেই চলবে ঝাড়াই বাছাইয়ের কাজ। কার্যত আইএসএলটা(ISL) কেমন ভাবে করা সম্ভব সেটা নিয়েই চ্যালেঞ্জটা ক্রমশ বাড়ছে। কারণ ২০২৬ সালের জুন মাস থেকেই শুরু হয়ে যাবে আবার নতুন মরসুম। সেই কারণে শর্ট টার্ম থেকে লং টার্ম দুটো পদ্ধতিতেই আইএসএল(ISL) করা নিয়ে ভাবনা রয়েছে তাদের। একইসঙ্গে আবার যাতে এএফসির প্রতিযোগিতায় খেলার দড়জা খোলা থাকে ক্লাব গুলোর সেটাও ভাবতে হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে অনির্বান দত্ত(Anirban Dutta) জানাচ্ছেন, “মঙ্গলবার রাতে একটা বৈঠক রয়েছে আমাদের। সেখানে যদি সবকিছু চূড়ান্ত হয়ে যায় তবে শীঘ্রই ক্লাবদের সঙ্গে বৈঠকে বসব। আমাদের দুভাবে দেখতে হবে এই ব্যপারটা। একটা শর্ট টার্ম এবং আরেকটা লং টার্ম। ক্লাবদের পাশাপাশি ফুটবলার, সাপোর্ট স্টাফদের দিকটা ভেবে আইএসএল করাটা একেবারেই প্রয়োজনীয়”। ইতিমধ্যেই কিছু ক্লাবেদের সঙ্গে নাকি কথবার্তাও হয়েছে এই কমিটির। ক্লাবেরা একটা স্থায়িত্ব খুঁজতে। সেখানে মোহনবাগান সভাপতি তো আবার বলেই দিয়েছেন যে দীর্ঘমেয়াদী না হলে, ক্লাবজোট মানবেই না। সেখানে অনির্বাণ দত্তের মুখেও কিন্তু সেই লংটার্মের কথা। আর সেই ব্যপারে ক্লাবেদের সঙ্গে কথা বলারও পরিকল্পনা তৈরি হয়ে গিয়েছে। এখন শুধুই খসরাটা চূড়ান্ত হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে সকলে। শেষপর্যন্ত আইএসএল ভোরের আলো দেখে কিনা সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।