সম্মতি ওড়িশার, ১৪ দল নিয়েই হচ্ছে এবারের আইএসএল

অবশেষে আইএসএল( খেলার ব্যপারে সম্মতি জানিয়ে ওড়িশা এফসি(Odisha Fc)। একইসঙ্গে বাকি ক্লাব গুলোও ফেডারেশনের(AIFF) সময়সীমার মধ্যে নিজেদের সম্মতি জানিয়ে দিয়েছে। অর্থাৎ ১৪ দলকে নিয়েই আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে এবারের আইএসএল(ISL)। ওড়িশার এফসির(Odisha Fc) খানিকটা সংশয় নিয়েই হঠাৎই একটা উদ্বেগ দেখা দিয়েছিল। সেখানেই শেষপর্যন্ত এবার ওড়িশা এএফসি নিজের সম্মতি জানাতেই কার্যত সমস্ত জটিলতা কাটিয়ে দিয়েছে। একইসঙ্গে প্রতিটা ক্লাব তাগের হোম ভেন্যুও মোটামুটি পাকা করে ফেলেছে। যদিও ইন্টার কাশি(Inter Kashi) সহ কয়েকটি ক্লাব আরও দু-একদিন সময় চেয়ে নেওয়ায় ফেডারেশন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি। তবে এই সপ্তাহের মধ্যেই ফেডারেশন আইএসএলের(ISL) সূচি যে ঘোষণা করতে চলেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এখন শুধুই সরকারীভাবে ফেডারেশনের ঘোষণা করার অপেক্ষায় রয়েছেন সকলে। কলকাতাতেই যুবভারতী হতে চলেছে মোহনবাগান(Mohunbagan) ও ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) হোম গ্রাউন্ড। সেইসঙ্গে মহমেডানের হোম গ্রাউন্ড হতে চলেছে এবার কিশোরভারতী। অন্যদিকে ইন্টারকাশিও খেলতে বাংলাতেই তাদের হোমগ্রাউন্ড বাছছে। শোনাযাচ্ছে বারাসত এবং কল্যাণী স্টেডিয়ামই হতে চলেছে তাদের হোম গ্রাউন্ড। যদিও এখনও পর্যন্ত তারা চূড়ান্ত করেনি। বরং ফেডারেশনের থেকে আরও দুটো দিন সময় চেয়ে নিয়েছে। অর্থাৎ বুধবারই ফেডারেশনের কাছে নিজেদের হোম গ্রাউন্ড নিশ্চিত করে দেবে ইন্টারকাশি।
ফেডারেশনের ডেডলাইন, আগামী সপ্তাহেই সূচি ঘোষণা

ক্লাবদের সময় ডেডলাইন বেঁধে দিল ফেডারেশন(AIFF)। আগামী সোমবারের মধ্যেই এই মরসুমের আইএসএলে ক্লাবগুলো(ISL Clubs) অংশগ্রহন করবে কী করবে না তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে সময়সীমা বেঁধে দিল ফেডারেশন। শনিবারই প্রতিটি ক্লাবকে সেই চিঠি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে ফেডারেশনের(AIFF) তরফে। ছটি ক্লাবের অংশগ্রহন করা নিয়েই খানিকটা সংশয় দেখা গিয়েছিল। সেই কারণেই সকলকে ফের একবার চিঠি দিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জেনে নিতে চেয়েছে ফেডারেশন। সেখানে যে যে ক্লাব(ISL Clubs) অংশগ্রহন করার কথা জানিয়ে দেবে, তাদের নিয়েই আগামী সপ্তাহে আইএসএলের(ISL) সূচী ঘোষণা করে দেবে ফেডারেশন। সেইসঙ্গে এএফসিতেও আবেদন করবে তারা। কয়েকদিন আগেই অংশগ্রহন করার ব্যপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানোর জন্য সোমবার পর্যন্ত সময় চেয়ে নিয়েছিল ওড়িশা এফসি। সেই মতোই প্রতিটা ক্লাবকেও সোমবার সন্ধে পর্যন্তই সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। কীভাবে এই মরসুমের আইএসএল হবে তা ফেডারেশনের তরফ থেকে স্পষ্ট ভাবেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এবার সেটা মেনেই খেলায় অংশগ্রহন কারা কারা করবে তা সোমবারই চূড়ান্তভাবে জেনে, আগামী সূচী ঘোষণা হয়ে যাবে। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি আইএসএল শুরু হওয়ার কথা ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। খোদ কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী সেই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোন কোন ক্লাব খেলবে তা নিয়ে চূড়ান্ত হতে পারছে না ফেডারেশন। কারটা হল বিশেষ করে রেলিগেশন থাকবে কী থাকবে না। এছাড়াও আরও কয়েকটি শর্তও রয়েছে। যদিও ফেডারেশন আইএসএল করতে প্রস্তুত। সেই কারণেই তো শেষ একবার ক্লাবদের চিঠি দিয়ে সেই কথা জেনে নিতে চাইল ফেডারেশন। আদামী সপ্তাহেই এই মরসুমের আইএসএলের সূচী ঘোষণা।
কাটল জট, ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু আইএসএল

অবশেষে দীর্ঘ জল্পনার অবসান। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরি হচ্ছে এই মরসুমের আইএসএল(ISL)। মঙ্গলবার দুপুর তিনটের সময় কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রীর উপস্থিতিতে ক্লাব গুলোর সঙ্গে শেষ বৈঠকে বসেছিল ফেডারেশনAIFF)। সেখানেই শেষপর্যন্ত ফেডারেশনের(AIFF) মডেল অনুযায়ী আইএসএল(ISL) খেলতে রাজী হয়ে গিয়েছে আইএসএলের ক্লাব গুলেো। এরপই কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে আইএসএল শুরু হওয়ার কথা ঘোষণা করে দেন। অবশেষে ভারতীয় ফুটবলের সর্বোচ্চ লিগে বল গড়াতে চলেছে। কয়েকদিন আগে ফেডারেশনের তৈরি করা তিন সদস্যের কমিটি তাদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী রিপোর্ট জমা দেওয়ার পরই ফেডারেশন(AIFF) ক্লাব গুলোর(ISL Clubs) সঙ্গে বৈঠকে বসেছিল। সেখানেই কয়েকটি পয়েন্ট নিয়ে আপত্তি তুলেছিল আইএসএলের ক্লাবগুলো। তাদের একটাই বক্তব্য ছিল যে এই মরসুমে এক কোটি টাকা পার্টিসিপেশন ফি তারা দেবে না। এমনকি ব্রডকাস্টও যে ফেডারেশনকে ঠিক করতে হবে সেই কথাও বলা হয়েছিল। এই নিয়েই একটা টালবাহানা শুরু হয়েছিল। এরপর থেকেই যেন খানিকটা কড়া মনোভাব দেখাতে শুরু করেছিল ফেডারেশন(AIFF)। বিশেষ করে মঙ্গলবার ফেডারেশনের নতুন মডেল অনুযায়ী আইএসএল আয়োজনের পরিকল্পনা কার্যকরী কমিটির বৈঠকে সবুজ-সংকেত পেতেই তারা কার্যত প্রস্তুত হয়ে গিয়েছিল। এরপরই ক্রীড়ামন্ত্রীর উপস্থিতিতে ক্লাবগুলোর সঙ্গে বৈঠকে বসেছিল ফেডারেশন। সেখানেই নাকি শোনাযাচ্ছে বেশ হুঁশিয়ারের সুরেই কথা বলেছে ফেডারেশন কর্তারা। কার্যত ক্লাবগুলো আইএসএল খেলবে কী খেলবে না সেই কথাই নাকি জানতে চাওয়া হয়েছিল। শেষপর্যন্ত প্রতিটি ক্লাবই খেলার কথা জানিয়ে দিয়েছে। এরপরই আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে আইএসএল শরু হওয়ার কথা ঘোষণা করে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী। তবে একটা প্রশ্ন এখনও রয়েই যাচ্ছে যে এএফসি স্লটটা কী হবে। কারণ আইএসএল ক্লাবগুলোর সেই স্লট নিয়েও একটা দাবী ছিল। সেটা অবশ্য ফেডারেশনের ওপরই রয়েছে দায়িত্ব। তবে ১ কোটি টাকার পার্টিসিপেশন ফি দিতে হবে কী হবে না, তা নিয়ে এখনই কোনএও সিদ্ধান্ত হয়নি। শোনাযাচ্ছে পরবর্তীতে একটা বৈঠক হবে সেখানেই নাকি এই বিষয়টাও সমাধান হয়ে যেতে পারে।
আগামী সপ্তাহেই আইএসএল শুরুর তারিখ ঘোষণা

অবশেষে খুলতে চলেছে আইএসএল(ISL) নিয়ে অনিশ্চয়তা। আগামী সপ্তাহেই ঘোষণা হতে চলেছে আইএসএলের(ISL) তারিখ। তবে সূচি নিয়ে এখনই কিছু বলা হয়নি ভারতীয় ফুটবল ফে়ডারেশনের তরফে। তবে আইএসএল(ISL) যে অবশেষে এই মরসুমে হচ্ছে তার ইঙ্গিত কিন্তু স্পষ্ট। এখন শুধুই অপেক্ষা কবে থেকে শুরু হবে ভারতের সর্বোচ্চ ফুটবল লিগ। একইসঙ্গে লিগ যে ফেডারেশনই পরিচালনা করবে তাও স্পষ্ট করে নিজেদের চিঠিতে জানিয়ে দিয়েছে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন(AIFF)। আইএসএল(ISL) নিয়ে ক্লাবজোটের সঙ্গে বৈঠকের জন্য ফেডারেশন তিন সদস্যের একটি কমিটি তৈরি করে দিয়েছিল। একটানা ক্লাবগুলোর সঙ্গে তাদের বৈঠক হয়েছে। ক্লাবেরা কী চাইছে। কেমনভাবে লিগ হোক সবটাই শুনে এবং নিজেদের মতো রিপোর্ট তৈরি করে শনিবারই ফেডারেশনকে(AIFF) সেই চিঠি জমা দেওয়া হয়েছিল। সেখানেই ক্লাবেদের তরফ থেকে বেশ কিছু দাবীও ছিল। যারমধ্যে প্রধান ছিল যে লিগের ব্রডকাস্টার ঠিক করতে হবে ফেডারেশনকেই। একইসঙ্গে সেই রিপোর্টে উল্লেখ ছিল কোনও দল যদি খেলতে না চায় সেক্ষেত্রে তাঁকে লোয়ার ডিভিশনে রেলিগেট করে দেওয়া হবেষ সেই রিপোর্ট পাওয়ার পরই ফেডারেশনে আপৎকালীন একটি বৈঠক করা হয়। সেখানেই ঠিক হয় যে আগামী সপ্তাহেই এই মরসুমের আইএসএলের তারিখ ঠিক করা হবে। অর্থাৎ এখান থেকে একটা জিনিস স্পষ্ট যে আইএসএলের ব্রডকাস্টার হয়ত ফেডারেশন ঠিক করেই ফেলেছে। এখন শুধুই আগামী সপ্তাহে আইএসএলের দিন ঘোষণার অপেক্ষা।
৫ জানুয়ারি থেকে প্রস্তুতিতে লাল-হলুদ, শহরে অস্কার

আগামী ৫ জানুয়ারি থেকেই মাঠে নেমে পড়ছে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। এখনও পর্যন্ত আইএসঅএল(ISL) কবে হবে তা নিয়ে নিশ্চয়তা নেই। তার মাঝেই অবশ্য দল নিয়ে মাঠে নেমে পড়ছেন অস্কার ব্রুজোঁ। শনিবারই শহরে চলে এসেছেন লাল-হলুদের কোচ। তবে প্রথম দিন থেকেই সব বিদেশিদের একসঙ্গে পাবেন না অস্কার ব্রুজোঁ(Oscar Bruzon)। যহেতু অত্যন্ত কম সময়ের মধ্যে প্রস্তুতি শুরু হওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে, সেই জন্যই অনুশীলন শুরুর সপ্তাহের মধ্যেই একে একে সব ফুটবলাররা যোগ দেবেন। সরকারীভাবে কিছু শোনা না গেলেও, মনে করা হচ্ছে আইএসএের নিশ্চয়তা পেয়েই নাকি অনুশীলনে নেমে পড়ছে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। সুপার কাপেই শেষ ম্যাচ খেলেছিল লাল-হলুদ ব্রিগেড(Eastbengal)। সেখানে এফসি গোয়ার কাছে ফাইনাল হারের পরই অনির্দিষ্টকালের জন্য ছুটিতে চলে গিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গলের কোচ থেকে ফুটবলররা। সেই থেকেই শুরু হয়েছিল জল্পনা। কারণ আইএসএল নিয়ে কোনওরকম নিশ্চয়তা ছিল না। এখনও নেই। এমনকি মোহনবাগান প্রস্তুতি শুরু করলেও, ইস্টবেঙ্গলও প্রস্তুতিতে না নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। অবশেষে আগামী ৫ জানুয়ারি থেকেই প্রস্তুতিতে নামছে লাল-হলুদ ব্রিগেড। তারা সকলই বেশ আশাবাদী যে আইএসএল নাকি হবে। কারণ সেই কথা দিয়েই তো দলের সেরা দুই বিদেশিকে ধরে রাখতে পেরেছে ইস্টবেঙ্গল। নইলে মিগুয়েল এবং কেভিন সিবিলে দুজনেই নাকি চলে যেতে চেয়েছিলেন। যদিও পরে ক্লাব কর্তা এবং কোচের মধ্যস্থতায় থেকে গিয়েছেন দুজনেই। কেভিন সিবিলে আসছেন আগামী ৬ জানুয়ারি এবং মিগুয়েল শহরে আসছেন ৭ জানুয়ারি। একইসঙ্গে আইএসএল শুরুর একটা তারিখও শোনাযাচ্ছে। সূত্রের খবর জানুয়ারির শেষেই নাকি শুরু হতে পারে আইএসএল। তবে কী সেই খবর জেনেই প্রস্তুতিতে নামছে লাল-হলুদ ব্রিগেড।
ফিফার কাছে দেশের ফুটবলকে বাঁচানোর আবেদন ভারতীয় ফুটবলারদের

ফুটবল নিয়ে আলোচনা রয়েছে। একের পর এক বৈঠক রয়েছে। বিভিন্ন মহলে নানান কথাবার্তা রয়েছে। শুধু ফুটবলটাই মাঠে নেই। আর যাদের পায়ে বলটা থাকার কথা তারাই বসে রয়েছে ঘরে। কী করবে এই মরসুমের আইএসএলটাই তো এখন অনিশ্চিত। ফেডারেশন(AIFF), এফএসডিএলের(FSDL) সমস্যায় ভারতের সর্বোচ্চ লিগটাই অন্ধকারের রাস্তায়। এবার শেষ চেষ্টায় নামলেন ফুটবলাররাও(Indian Footballers)। ক্রমশই যেন আশা হারাচ্ছে তারা। তাই তো এবার ফিফার(FIFA) কাছে তাদেরকে বাঁচানোর আবেদন। নতুন বছর পড়ে গিয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত আইএসএল(ISL) নিয়ে কোনও নিশ্চয়তা নেই। বহু বৈঠক হলেও, কবে মাঠে বল গড়াবে কেউ বলতে পারছে না। শেষ ক্লাবজোটের উত্তরও কেমন ইতিবাচক নয়। অন্তত সেই উত্তর থেকে আইএসএল হওয়ার কোনওরকম আশার আলো এখনও পর্যন্ত কেউ দেখতে পাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে ফিফাই(FIFA) এখন ফুটবলারদের(Indian Footballers) বাঁচার আশা। সুনীল ছেত্রী(Sunil Chetri) থেকে গুরপ্রীত সিং সান্ধু, প্রীতম কোটালরা ফিফার কাছেই করছেন কাতর আবেদন। তাদের ফুটবলটা তারা ফেরত চাইছেন। সোশ্যাল ভারতের তারকা ফুটবলাররা মিলে একটি আবেদনের ভিডিও বানিয়েছেন। সেখানেই তারা বলছেন, “জানুয়ারি হয়ে গেল, এই সময়টা তো আমাদের মঞ্চে আমাদের থাকার কথা ছিল। কিন্তু সেই জায়গায় আমরা নিয়ে চলেছি এক অন্য আতঙ্ক। সেই জন্যই তো আমরা এদিন এক কাতর আবেদন নিয়ে এসেছি। ভারতীয় ফুটবল সর্বময় সংস্থা তার দায়িত্ব নিতে ব্যর্থ।” . @FIFAcom @FIFPRO @FIFPROAsiaOce @FPAI pic.twitter.com/urNqYfmVcH — Gurpreet Singh Sandhu (@GurpreetGK) January 2, 2026 “আমরা যেন একটা পাকাপাকি পঙ্গুতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। সবকিছু বাঁচাতে আমাদের সাধ্যমতো এই একটাই চেষ্টা এবার আমরা করছি। এই ঘটনায় এবার ফিফা সরাসরি অংশগ্রহন করুক এবং ভারতীয় ফুটবলকে বাঁচাতে যা করা উচিত্ তারা যেন সেটাই করে। আমরা আশা করছি জুরিখ শহরে হয়ত এই আবেদনের বার্তাটা পৌঁছবে।” শেষ চিঠিতে ক্লাবজোট খেলতে রাজি হওয়ার ক্ষেত্রে কমার্শিয়াল পার্টনারের কথাই বলেছে। সেই পার্টনার যতক্ষণ না পর্যন্ত ঠিক হবে তারাও যে খেলবে তা এক প্রকার স্পষ্ট। কিন্তু এতকিছুর মধ্যে ভারতীয় ফুটবলারদের পা থেকে বলটাই হারিয়ে যেতে বসেছে। ফুটবলারদের আবেদনে ফিফা সাড়া দেয় কিনা সেটাই দেখার।
ক্লাবগুলোর উত্তর জানতে চিঠি দিয়ে সময়সীমা বেঁধে দিল ফেডারেশন

আইএসএল ক্লাব(ISL Clubs) গুলোর কাছে চিঠি দিয়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন এবং ফর্ম্যাট নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানতে চাইল ফেডারেশন(AIFF)। আগামী ১ জানুয়ারির মধ্যেই সেই সিদ্ধান্ত জানানোর জন্য সময়সীমাও বেঁধে দেওয়া হল ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের(AIFF) তরফ থেকে। কারণ ক্লাবগুলোর তরফ থেকে ক্ল্যারিটি পেলে তবেই যে তারা এএফসির কাছে যেতে পারবে সেই কথাই বলা হয়েছে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের(AIFF) তরফে। বেশ কয়েকদিন ধরেই নানান বৈঠক হলেও এখনও পর্যন্ত আইএসএল হওয়া নিয়ে চূড়ান্ত সমাধানসূত্র বেড়িয়ে আসেনি। ফেডারেশনের তৈরি করা কমিটি তাদের প্রস্তাব ক্লাবজোট এবং ফেডারেশনের সামনে রেখেছে। সেখানে কাজ খানিকটা এগোলেও, এখনও পর্যন্ত পুরোপুরি নিশ্চিত হয়নি কোনওকিছুই। বরং আইএসএলের(ISL) বাজট নিয়েই চলছে এখনও পর্যন্ত দর কষাকষি। সেখানেই এবার ফেডারেশনের চিঠি ক্লাব গুলোকে। গত ৩০ ডিসেম্বর একটা বৈঠক হয়েছে। সেখানেই শেষ কথাবার্তা হয়েছে। আগামী পয়লা জানুয়ারিতেই ক্লাবগুলোকে(ISL Clubs) অংশগ্রহন করা নিয়ে পরিস্কার ধারণা দিতে বলে দিয়েছে ফেডারেশন। প্রথমত তাদের এএফসির সঙ্গে কথাবার্তা বলতে হবে এই একবারের জন্য খানিকটা এএফসি স্লটের নিয়মে ভারতের ক্লাবেদের জন্য শীথিলতা আনতে। অন্যদিকে আগামী ২ জানুয়ারির মধ্যে ক্রীড়ামন্ত্রককে জানাতে তাদের। এছাড়াও আগামী ৫ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে যাবে সুপ্রিম কোর্টের শুনানি। সেই সময় সিদ্ধান্ত না হওয়ার বিষয়টা যে কোনওরকম অপশন হবে না তা ভালোভাবেই বোঝাযাচ্ছে। সেই কারণেই আইএসএলের ক্লাবগুলোর কাছে চিঠি দিয়ে আগামী পয়লা জানুয়ারির মধ্যে সমস্তটা জানতে চাওয়া হয়েছে ফেডারেশনের তরফে। নতুন বছরে ভারতীয় ফুটবলের জট খোলে কিনা সেটাই এখন দেখার।
আশার আলো দেখছে ফেডারেশন, নতুন ইনভেস্টরও পাচ্ছে!

২৯ ডিসেম্বরই আইএসএল নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে পারবে। এমনটাই প্রত্যাশা ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের(AIFF)। ফেডারেশন সূত্রে খবর তাদের দেওয়া দীর্ঘমেয়াদি ফর্ম্যাট ক্লাবজোটের(Isl Clubs) পছন্দ হয়েছে এহং তারা নাকি প্রায় রাজিও হয়ে গিয়েছে। আগামী ২৯ ডিসেম্বর ফের ক্লাব জোটের সঙ্গে বৈঠকে বসবে ফেডারেশন(AIFF)। সেখানেই নাকি এই মরসুমের আইএসএল নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়ে যেতে পারে। তবে শেষপর্যন্ত কী হয় সেটা তো সময়ই বলবে। একইসঙ্গে উঠে আসছে আরও একটা তথ্য। শোনাযাচ্ছে এফএসডিএলকে(FSDL) সরানোর কাজটাও নাকি অনেকটাই পাকা হয়ে গিয়েছে। অন্তত ফেডারেশন এমনটাই দাবী করছে। ইতিমধ্যে নাকি তিনটি মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানির সঙ্গে কথাবার্তা হয়েছে। আর তারা নাকি আগামী দিনে আইএসএলে(ISL) ইনভেস্ট করার কথাও বলেছেন। আর যে কোম্পানিদের সঙ্গে কথা হয়েছে তাদের এই মুহূর্তে মার্কেট ভ্যালু নাকি ২০ হাজার কোটি টাকারও বেশি। তবে সেই তিনটি কোম্পানি কারা তাদের নাম নিয়ে আপাতত মুখে কুলুপ এঁটেছে ফেডারেশন(AIFF)। এমনকি ফেডারেশন(AIFF) নাকি যে দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তাব ক্লাবজোটের সামনে রেখেছিল, সেটাও নাকি এই তিন কোম্পানির সঙ্গে কথাবার্তার পরই রূপপেখা তৈরি হয়েছিল। এমনকি ফুটবলের কমার্শিয়াল টেন্ডার প্রক্রিয়ার জন্য যে টেন্ডার ফেডারেশনের তরফে ডাকা হবে সেটাও নাকি এই তিন কো্ম্পানির মধ্যেই কোনও একটি কোম্পানি পাবে। আর এই খবরটা যে ভারতীয় ফুটবলের আশার আলো অনেকটাই জোরালো করছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এমনকি ২০ বছরের যে নতুন চুক্তি হবে সেখানে ফেডারেশনকে সাড়ে সাঁইত্রিশ কোটি টাকার দেওয়ার ব্যপারেও নাকি তারা রাজি হয়ে গিয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনকিছুই অবশ্য চূড়ান্ত নয়। সবটাই নির্ভর করছে ২৯ ডিসেম্বরের বৈঠকের ওপর। তবে ফেডারেশন আশাবাদী ২৯ তারিখই নাকি সব ঠিকঠাক হয়ে যাবে। অন্যদিকে ক্লাবজোট সবকিছু মেনে নিলে এবং আইএসএলের হওয়ার গ্রীন সংকেত পাওয়ার পরই ফের একবার কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রকের কাছে আবেদন করতে চলেছে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন। এঅ মরসুমে দুটো ভেন্যুতেই হবে আইএসএল। অর্থাৎ গোয়া এবং কলকাতায়। সেখানেই খরচের কথা মাথায় রেখে কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রকের কাছে তারা আবেদন করে যাতে ক্রীড়ামন্ত্রক রাজ্য সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং আয়োজনে ক্লাবদেরকে সাহায্য করে।
ফেডারেশনের কমিটির দীর্ঘমেয়াদী প্রস্তাব পেশ, ক্লাবজোটের জবাব ২৮ ডিসেম্বর

কবে হবে এই মরসুমের আইএসএল(ISL)। এতদিন ধরে ঘোর অনিশ্চয়তা চললেও, এবার বোধহয় একটা হাল্কা আশার আলো দেখা যাচ্ছে। ফেডারেশনের(AIFF) দেওয়া শর্ট টার্মের পাশাপাশি লং টার্মের চুক্তি মেনে নিলেই এবারের মতো ফের বল পায়ে আইএসএলের(ISL) মঞ্চে দেখা যাবে ফুটবলারদের। তবে সবটাই নির্ভর করছে আগামী ২৯ ডিসেম্বরের বৈঠকের ওপর। সেদিনি কার্যত সবকিছু চূড়ান্ত হয়ে যেতে পারে। শুক্রবারই ক্লাবগুলোর(ISL Clubs) সঙ্গে বৈঠকে দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনার প্রস্তাবটা দিল ফেডারেশনের(AIFF) তৈরি করে দেওয়া তিন সদস্যের কমিটি। কয়েকদিন আগেই ফেডারেশনের(AIFF) তৈরি করে দেওয়া তিন সদস্যের কমিটি ক্লাবজোটকে(ISL Clubs) শর্ট টার্ম ফর্ম্যাটের প্রস্তাবটা পেশ করেছিল। যদিও সই সময় ক্লাবজোটের(ISL Clubs) সদস্যরা দীর্ঘমেয়াদী ফর্ম্যাটের ভাবনা এই কমিটির কাছে জানতে চেয়েছিল। সেই দাবী মতোই শুক্রবারের বৈঠকে ক্লাবজোটকে দীর্ঘমেয়াদী ফর্ম্যাটের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে ফেডারেশনের তৈরি করে দেওয়া তিন সদস্যের কমিটির তরফে। সেখানেই জানানো হয়েছে আগামী ২০ বছরের জন্য ৭০ কোটি টাকা করে খরচ হবে। সেইসঙ্গে পার্টিসিপেশন ফি হিসাবে ক্লাব গুলোকে দিতে হবে ১ কোটি টাকা করে। এছাড়াও যে যেমনভাবে টাকা দেবে, তেমনই লভ্যাংশ পাবে। আবার লোকসান হলে সেটাও সকলে সমানই পাবে। এদিন অবশ্য ক্লাবজোট কোনওরকম উত্তর দেয়নি। আগামী ২৮ ডিসেম্বর ফেডারেশনের কমিটিকে নিজেদের জবাব জানিয়ে দেবে ক্লাবজোট। এরপরই ২৯ ডিসেম্বরের বৈঠক। আপাতত তারা কয়েকদিন নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে নেবে। আগামী ২৯ ডিসেম্বর ফের ফেডারেশনের তৈরি করে দেওয়া এই কমিটির সঙ্গে বৈঠকে বসবে ক্লাবজোট। সেখানে যদি এই প্রস্তাব মেনে তারা সায় দিয়ে দেয়, তবে ফেব্রুয়ারি থেকেই শুরু হয়ে যেতে পারে আইএসএল। তবে দুই পক্ষের মধ্যে যদি সামাধান সূত্র শেষপর্যন্ত না বেড়িয়ে আসে তবে আইএসএল নিয়ে আশার আলো দেখা যাচ্ছে না।
ফেডারেশন ব্যর্থতার কথা জানালে তবেই দায়িত্ব নেবে ইস্টবেঙ্গল

প্রথম থেকেই ক্লাব জোটের সঙ্গে ছিল না ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। এবার নিজেদের অবস্থান আরও স্পষ্ট করলে দিল ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। লাল-হলুদের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকারের(Debabrata Sarkar) সাফ জবাব, ফেডারেশন(AIFF) যদি নিজেদের ব্যর্থতার কথা স্বীকার করে নেয়, তবেই নাকি তারা ক্লাব জোটের সঙ্গে থেকে লিগ আয়োজনের বিষয়টা নিয়ে ভাবতে পারে। এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আয়োজনের কোনওরকম ভাবনা নেই লাল-হলুদ ম্যানেজমেন্টের। শেষপর্যন্ত কী হয় সেদিকেই তাকিয়ে লাল-হলুদ। কয়েকদিন আগেই ক্রীড়ামন্ত্রক এবং ফেডারেশনের(AIFF) সঙ্গে ভার্চুয়ালি বৈঠকে বসেছিল ক্লাবগুলো(ISL Clubs)। কিন্তু সেই বৈঠকে ছিল না ইস্টবেঙ্গল। এর আগেও ক্লাব জোটের সঙ্গে বৈঠকে বসে নি। বরং খানিকটা দুরত্ব রেখেই চলছিল লাল-হলুদ ম্যানেজমেন্ট। অবশেষে সেই বিষয় নিয়েই মুখ খুললেন লাল-হলুদের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার। তাঁর মতে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) খেলায় অংশগ্রহন করতে এসেছে। লিগ আয়োজনের দায়িত্ব তো ফেডারেশনের। ফেডারেশন(AIFF) ব্যর্থতার কথা জানালে তবেই নাকি তারা ভাবতে পারে। এই প্রসঙ্গে দেবব্রত সরকার(Debabrata Sarkar) জানান, “লিগ কবে হবে জানি না। কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি যে লিগ হবেই। পরিস্কার কথা ফেডারেশনের লিগ, ফেডারেশন লিগ করবে। ফেডারেশন বলুক যে তারা পারবে না, তখন আমরা অবশ্যই ভাবব। আমরা ম্যাচ আয়োজন করতে আসিনি। আমরা এসেছি ম্যাচ খেলতে। আমাদের বোর্ডে সিদ্ধান্ত হয়েছে আমার আয়োজন করব না। এবার যদি ফে়ডারেশন বলে যে আমরা পারছি না। তখন অবশ্যই আমরা করব। আগের থেকেই আমাকে দাও আমাকে দাও বলতে যাব কেন। আমাদের ফেডারেশনের প্রতি সম্মান রয়েছে। কারা তারা তো দীর্ঘদিন ধরে ফুটবলটাকে নিয়ে যাচ্ছে”। দেশের সর্বোচ্চ লিগ কবে হবে তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনওরকম নিশ্চয়তা নেই। একের পর এক বৈঠক হয়ে গেলেও কোনওরকম ফলাফল পাওয়া যাচ্ছে না। ইস্টবেঙ্গল অবশ্য ধীরে চলো নীতিই নিয়েছে। শেষপর্যন্ত কী হয় সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে তারা।