বোলিং শুরু বুমরাহ, ওয়াশিংটনের

আগামী বুধবার নামিবিয়ার বিরুদ্ধে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় ম্যাচে নামবে ভারত। তার আগেই ভারতীয় দলের হয়ে প্রস্তুতিতে নেমে পড়লেন জসপ্রীত বুমরাহ(Jasprit Bumrah)। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে অসুস্থতার জন্য খেলতে পারেননি তিনি। যদিও সেই ম্যাচে ভারতের জিততে খুব একটা অসুবিধা হয়নি। কিন্তু বুমরাহ কবে থেকে ফিরবেন সেটা নিয়েই ছিল জোর জল্পনা। অবশেষে ভারতের ব্যাটিং কোচ সেই নিয়েই দিলেন বিরাট আপডেট প্রস্তুতির ফাঁকেই ভারতীয় দলের ব্যাটিং কোচ জানান, “ওয়াশিংটন দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন, তিনি বোলিংও করবেন। একইসঙ্গে শেষ দশদিন অনুশীলন না করলেও এদিন থেকে বোলিং সুরু করবেন জসপ্রীত বুমরাহ”। চোটের কারনে ওয়াশিংটনও ছিলেন না। শুধুমাত্র সুস্থতাই নয়, তাঁরা বোলিং শুরু করাটা যে ভারতীয় দলের কাছে বিরাট পাওয়া তা বলার অপেক্ষা রাখে না। একইসঙ্গে জসপ্রীত বুমরার বোলিংয়ে ফেরাটাও ভারতীয় দলের কাছে বাড়তি আত্মবিশ্বাস যোগাচ্ছে। তবে অভিষেক শর্মা নিয়ে খানিকটা চিন্তা রয়েছে। তাঁর পেটের সমস্যা হওয়ার কারণে এদিনের প্রস্তুতিতে যোগ দেননি তিনি। অন্যদিকে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে নামার আগে ফিল্ডিংয়ে হাই ক্যাচ নেওয়ার ওপরই জোর দিচ্ছে ভারতীয় দল।
ফেডারেশনের বৈঠকে অংশগ্রহন করলেন না সদস্যরা, ঝুলেই রইল চার্চিল নিয়ে সিদ্ধান্ত

ফেডারেশনের কমিটি বৈঠক ডাকল। আবার ফেডরেশনেরই কার্যকরী সমিতির সব সদস্য বৈঠকে অংশগ্রহন করলেন না। ২৫ মিনিট অপেক্ষার পর বৈঠক বাতিল করে দিতেই বাধ্য হল। আর সেইসঙ্গেই উঠে এল একরাশ প্রশ্ন। আর তো মাত্র কয়েকদিন পর আইএসএল শুরু। চার্চিলের দাবী মেনে সেখানে কী তাদের খেলতে দেওয়া হবে? আবার আইলিগের নাম পরিবর্তন হয়ে ইন্ডিয়ান ফুটবল লিগ হবে কিনা। কোনওকিছুরই উত্তর পাওয়া গেল না ফেডারেশনের তরফ থেকে। কারণ নিজেদের ডাকা বৈঠকে নিজেদের সদস্যরাই যে অংশগ্রহন করলেন না। নিউজ নাইনের একটি খবর অনুযায়ী ২৪ ঘন্টার নোটিশে তিন সদস্যের কমিটি একটি কার্যকরী সমিতির বৈঠক ডেকেছিল। সেখানে যেমন চার্চিল ব্রাদার্স ইস্যু ছিল। তেমনই ছি্ল আইলিগের রিব্র্যান্ডিং নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বৈঠক। কিন্তু ২২ সদস্যের কমিটির মধ্যে মাত্র ১০ জন অংশগ্রহন করেছিলেন। অপেক্ষা করা হয় প্রায় ২৫ মিনিট। এরপরই বৈঠক বাতিল করে দেওয়া হয়। এদিনের বৈঠকের প্রধান বিষয় ছিল চা্র্চিল ব্রাদার্সের আইএসএল খেলার দাবী নিয়ে আলোচনা। সেইসঙ্গে আইলিগের নাম ইন্ডিয়ান ফুটবল লিগ হবে কিনা। এই বিষয় গুলো নিয়েই আলোচনার কথা ছিল। কিন্তু কিছুই হল না। এই নিয়েই কিন্তু এখন ভারতীয় ফুটবলে ফের হৈচৈ শুরু হয়ে গিয়েছে।
রোমিলের গোলে ডার্বির রং লাল-হলুদ

সুযোগ নষ্টের খেলায় শেষপর্যন্ত ডার্বি জয় ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal)। আরএফডিএলের ফিরতি ডার্বিতে রোমিল গোলদারের গোলে মোহনবাগানকে ১-০ গোলে হারাল লাল-হলুদ(Eastbengal) ব্রিগেড। তবে ডার্বি জিতলেও এদিন ইস্টবেঙ্গল বহু সুযোগ নষ্ট করেছে। সেটা না হলে স্কোরলাইন অন্যরকম হতেই পারত। প্রথমার্ধেই ইস্টবেঙ্গলের এগিয়ে যাওয়ার বহু সুযোগ এসেছিল, কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি। পাল্টা আক্রমণে মোহনবাগানও কিন্তু বেশ কয়েকটা সুযোগ তৈরি করেছিল। কিন্তু তারাও ব্যর্থ। বিরতির পরই ইস্টবেঙ্গলের হয়ে গোল করেন রোমিল গোলদার(Romil Goldar)। যদিও মোহনবাগান ম্যাচে ফেরার সুযোগ পায়নি এমনটা নয়। গোলের কাছে পৌঁছেও শেষপর্যন্ত তা জালে জড়াতে ব্যর্থই হয়েছে সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। শেষপর্যন্ত এই ডার্বিও ইস্টবেঙ্গলেরই। ফিরতি ডার্বিতেও জয়। দলের এমন পারফরম্যান্সে স্বভাবতই উচ্ছ্বসিত ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) শিবির। যদিও লাল-হলুদের হয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করতে এলেন না কোচ বিনো জর্জ(Bino George)। সেই জায়গায় এলেন ইস্টবেঙ্গলের সহকারী কোচ। ডার্বি জয়ে অবশ্যই তারা খুশি। সেইসঙ্গে সুযোগ নষ্টের কথাও শোনা গেল। অন্যদিকে চির প্রতিদ্বন্দ্বীদের কাছে হারে বহু সহজ সুযোগ নষ্টকেই দায়ী করলেন মোহনবাগান কোচ ডেগি কার্ডোজো। অন্যদিকে ডার্বির নায়ক হাওড়ার রোমিল গোলদার। আরএফডিএলের মঞ্চে প্রথম গোল, তাও আবার করলেন ডার্বিতেই। উচ্ছ্বসিত রোমিল। লাল-হলুদের জার্সিতে এগিয়ে যেতে চান তিনি।
অনুর্ধ্ব-১৯ মহিলাদের সাফ চ্যাম্পিয়ন ভারত

গতবারের চ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে মহিলাদের অনুর্ধ্ব-১৯ সাফ কাপ চ্যাম্পিয়নশিপ চ্যাম্পিয়ন(U-19 Womens Saff Championship) ভারত। ফাইনালে বাংলাদেশকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিল পামেলা কন্তের(জোসাতো মদলূা) দল। এবারের সাফ কাপের শুরু থেকেই দুরন্ত ফর্মে রয়েছেন ভারতের মহিলা ব্রিগেড(India Womens Team)। এর আগে নেপালকে ১ গোলে এবং ভূটানকে ৮ গোলে ম্যাচ হারিয়েছে ভারত। ফাইনালে বাংলাদেশকেও মাথা তুলে দাঁড়ানোর সুযোগ দিল না ভারতীয় অনুর্ধ্ব-১৯ মহিলা দল(U-19 Womens Team)। এই ম্যাচে গোল করে প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলের মালিকও হয়েছেন পার্ল ফার্ণান্ডেজ। এশিয়া কাপের ড্রি রিহার্সালটা যে ভারত এখানেই সেরে নিল তাও বলার অপেক্ষা রাখে না। এদিনের ম্যাচে প্রথমার্ধেই ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছিল ভারতীয় দল। প্রথমেই ভারতীয় দলকে সেই লিড এনে দেন জুলন নংমইথেম। কিছুক্ষণের মধ্যেই ফের এগিয়ে যায় ভারতীয় মহিলা-১৯ ভারতীয় দল। এবার ভারতের হয়ে গোলদাতার নাম এলিজাবেদ লাকরা। ভারতের জয় প্রথমার্ধেই কার্যত নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশ ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করলেও ভারতের দাপটের সামনে মাথা তুলে দাঁড়াতেই পারেনি তারা। বরং বিরতির পরও আরও দুটো গোল করে ভারতের মহিলা ব্রিগেড। পামেলা কন্তের কোচিংয়ে অনুর্ধ্ব-১৯-এর মঞ্চে নিজেদের অনুর্ধ্ব-১৭ দলই নামিয়েছিল ভারত। পামেলা কন্তের হাত ধরে সাফল্যও পেল তারা। এরপরই রয়েছে এশিয়া কাপ। তার আগে ড্রেস রিহার্সালটা যে ভারতের ভালই হল তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
টি-২০ বিশ্বকাপে শুরুটা একেবারেই ভালো হল না পাকিস্তানের

টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শুরুতেই কার্যত হোঁচট পাকিস্তানের। ধারেভারে বহুগুনে পিছিয়ে থাকা নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে কোনওরকমে জিতল পাক বাহিনী। আর সেই সঙ্গেই তাদের দলের শক্তি থেকে দুর্বলতা নিয়ে বহু প্রশ্নও কিন্তু তুলে দিল পাকিস্তান। একইসঙ্গে অনেকেই এখন বলতেও শুরু করে দিয়েছেন যে পাকিস্তান গ্রুপ পর্ব টপকাতে পারবে তো। নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে একেবারে শেষ ওভারে গিয়ে কোনওরকমে ম্যাচ জিতেছে পাক বাহিনী। এদিন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল নেদারল্যান্ডস। পাকিস্তানের বোলাররা শুরু থেকে বেশ ছন্দেই ছিল। নেদারল্যান্ডসের কোনও ব্যাটারই সেভাবে ক্রিজে থাকতে পারেননি। শেষপর্যন্ত ১৪৭ রানেই শেষ হয়ে গিয়েছিল ডাচ বাহিনী। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচেই যে জয়ের বড় সুযোগ চলে এসেছিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু সেখানেই যত অঘটন। ব্যাট হাতে নামার পর থেকেই একের পর এক তারকা ব্যাটাররা সাজঘরে ফিরতে থাকে পাকিস্তানের। ম্যাচ শেষে পাকিস্তানের ক্রিকেটাররাও বাড়তি চাপে পড়ে যাওয়ার কথাও স্বীকার করে নিয়েছেন। আলি আঘা তো বলেই ফেললেন, “দশ ওভারের পর থেকেই আমাদের ওপর চাপটা ক্রমশ বাড়তে শুরু করেছিল। বিশেষ করে ব্যাটারদেরই সেদিকটা দেখার কথা ছিল। যখন কোনও ব্যাটার ক্রিজে সেট হয়ে যাচ্ছেন, তারই উচিৎ ম্যাচ ফিনিশ করে আসা। কিন্তু সেটা হয়নি এদিনের ম্যাচে”। টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে শুরুটা একেবারেই ভালোভাবে করতে পারেনি পাকিস্তান। আগামীতে এমনটা চললে পাকিস্তান গ্রুপ পর্ব টপকাতে পারে কিনা সেটাই দেখার।
ইলিয়াস পাশার পরিবারের হাতে ১১ লক্ষ ইস্টবেঙ্গলের, একসঙ্গে মাঠে ব্যারেটো, ভাইচুং

ঘোষণাটা আগেই হয়েছিল। শুক্রবার ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে ইলিয়াশ পাশার স্ত্রী ও কন্যার হাতে তুলে দেওয়া হল ১১ লক্ষ্য টাকা। এই ক্লাবের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পর্ক। ক্লাবের হয়ে যেমন খেলেছেন বহু ম্যাচ, তেমনই বহু সাফল্যেরও স্বাক্ষী ইলিয়াস পাশা। সেই প্রাক্তন ফুটবলারেরই অকাল প্রয়ান। শোকের ছায়া নেমে এসেছিল গোটা ময়দানে। প্রাক্তন ফুটবলারের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে তখনই সিদ্ধান্তটা নিয়ে ফেলেছিল ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। শুক্রবার এক বিরাট অনুষ্ঠানের মাধ্যমেই ইলিয়াস পাশার পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হল ১১ লক্ষ টাকা। এই দিনটিকেই ইস্টবেঙ্গল তাদের নব নির্মিত অস্ট্রোটার্ফের মাঠ উদ্বোধনের দিন হিসাবে বেছে নিয়েছিল। প্রাক্তন এই ফুটবলারের স্মৃতির উদ্দেশ্যে সেই মাঠেই খেলতে নামলেন বাইচুং ভূটিয়া, ব্যারেটো, চন্দন দাসরা। সেইসঙ্গে এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম এবং অরূপ বিশ্বাস। ইলিয়াস পাশা এবং নতুন মাঠ উদ্বোধন উপলক্ষে এদিন ইস্টবেঙ্গল মাঠে বসেছিল চাঁদের হাট। সেখানেই আবার স্মৃতি বিজরিত ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন ফুটবলার বাইচুং ভূটিয়া। এই মাঠ দেখে যেমন তিনি খুশি হয়েছেন, তেমনই ইলিয়াস পাশার মৃত্যুটাও মেনে নিতে পারছেন না বাইচুং। একসঙ্গে বহু ম্যাচ খেলেছেন। রুমও শেয়ার করেছেন তারা। সেই রুমমেটই এখন নেই। স্মৃতির স্মরণী বেয়ে ফিরে গেলেন সেই অতীতে। টার্ফের উদ্বোধন উপলক্ষ্যে এদিন জোড়া ম্যাচ আয়োজিত হয়েছিল। সেখানেই ম্যাচ খেলে ইস্টবেঙ্গল লেজেন্ডস বনাম ইস্টবেঙ্গল অল স্টার। আরেকটি ম্যাচ খেলেছে ইস্টবেঙ্গল বনাম এএফপিআই।
লোবেরার নতুন সিস্টেম, সবুজ-মেরুনে এলেন অময়

মোহনবাগান সুপারজায়ান্টে(MBSG) সের্জিও লোবেরা(Sergio Lobera) জমানায় এবার নতুন সিস্টেম। হোসে মোলিনার(Jose Molina) পদ্ধতি ফেলে দিয়ে এবারের আইএসএলে তিন ব্যাক সিস্টেমে খেলতে চলেছে সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। মোলিনার ছকের থেকে যা একেবারেই আলাদা। হোসে মোলিনার সময় মোহনবাগানকে বারবারই চার ডিফেন্স সিস্টেম নিয়ে খেলতে দেখা গিয়েছিল। এবার সেটাই সম্পূর্ণ বদলে দিচ্ছেন সের্জিও লোবেরা(Sergio Lobera)। তিন রক্ষণে খেলা মানে, স্প্যানিশ কোচ যে আক্রমণাত্মক পরিকল্পনাই এখন থেকে সাজিয়ে ফেলেছেন তাও বেশ স্পষ্ট। সেইভাবেই চলছে প্রস্তুতিও। আর তাতেই কিন্তু আরও ফুটবলারের ভবিষ্যৎ নিয়েও শুরু হয়ে গিয়েছে জল্পনা। তিনি টম অলড্রেড। কানাভুসো শুরু হয়ে গিয়েছে তবে কী বিদায় ঘন্টা বেজেই গেল টম অলড্রেডেরও(Tom Aldred)। এই মরসুমেই মোহনবাগানের সঙ্গে তাঁর চুক্তি শেষ। সেইসঙ্গে লোবেরার(Sergio Lobera) পরিকল্পনাতেও তিনি তেমনভাবে নেই বলেই শোনা যাচ্ছে। কারণ মোহনবাগান কোচ এবার তিন ব্যাক সিস্টেমে দলকে খেলাতে চলেছেন। সেখানেই টম অলড্রেড নেই বলেই শোনাযাচ্ছে। সূত্রের খবর বেশিরভাগ ম্যাচেই প্রথম একাদশে নাকি জায়গাই পাবেন না টম অলড্রেড। যদি একান্তই কোনও ম্যাচে প্রয়োজন পড়ে চার ডিফেন্সে খেলার, সেই সময় তাঁর কথা ভাবা যেতে পারে বলেই শোনাযাচ্ছে। আসন্ন কেরালা ব্লাস্টার্স ম্যাচ থেকেই হয়ত সেই ছবি দেখা যেতে চলেছে। অন্যদিকে আশিস রাই ছিটকে গিয়েছেন। সেই জায়গাতেই নতুন ফুটবলার নিতে খুব একটা বেশি দেরী করল না মোহনবাগান সুপারজায়ান্ট। কেরালা ব্লাস্টার্স থেকে লোনে অময় রানাওয়েকে(Amey Ranawade) দলে তুবে নিল মোহনবাগান। এর আগেও আই লিগের সময় মোহনবাগানে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে অময় রায়াওয়ের। সেইসঙ্গে কেরালাতেও সাফল্য পেয়েছেন। আশিস রাইয়ের জায়গায় তাঁকেই এবার পছন্দ সের্জিও লোবেরার।
লাল-হলুদ জার্সিতে গোলের অপেক্ষায় ইউসুফ

আইএসএলে(ISL) লাল-হলুদ জার্সিতে গোল করতে চান ইউসুফ(Yussef Ezzejjari)। শুক্রবার তাঁকে সই করানোর খবর সরকারীভাবে ঘোষণা করেছে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। এই দিনই আবার শহরে পৌঁছচ্ছেন ইস্টবেঙ্গলের নতুন বিদেশি ইউসুফ এজেজ্জারি(Yussef Ezzejjari)। তার আগেই লাল-হলুদ ভক্তদের উদ্দেশ্যে বিশেষ বার্তা দিলেন এই স্প্যানিশ স্ট্রাইকার। প্রতি ম্যাচ গোল করেই দলকে সামনের দিকে এগিয়ে দেওয়াই ইউসুফের এবার প্রধান লক্ষ্য। ইস্টবেঙ্গলের একমাত্র বিদেশি স্ট্রাইকার হিসাবে খেলবেন তিনি। সবকিছু ঠিকঠাক চললে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি মহমেডান এসসির বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচও খেলতে পারেন ইউসুফ এজেজ্জারি। এখন শুধুই তাঁর লাল-হলুদ জার্সি গায়ে তোলার অপেক্ষা। ইউসুফ শহরে আসার আগেই জানিয়েছেন, “ইস্টবেঙ্গলের লেগাসি, সমর্থকদের কথা শুনেই এখানে খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আইএসএলে ইস্টবেঙ্গলে নিজের নামের পাশে গোল দেখতে চাই। দলকে সবরকমভাবে সাহায্য করতে প্রস্তুত আমি”। বেশ কয়েকদিন আগে সই হয়ে গেলেও, ইউসুফের আসা নিয়ে কিন্তু একটা জল্পনা রয়েই গিয়েছিল। বিশেষ করে তাঁর ভিসা দেরী হওয়া নিয়ে ক্রমশই উৎকন্ঠা বাড়তে শুরু করেছিল। অবশেষে গত বৃহস্পতিবারই ভারতে আসার ভিসা পেয়ে গিয়েছেন ইউসুফ। এই শুক্রবারই কলকাতায় পা রাখবেন তিনি।
কর্তারা নারাজ হলেও, ইস্টবেঙ্গলের ম্যাচ কিশোরভারতীতেই

ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) ক্লাব কর্তারা যখন কিশোরভারতীতে(Kishorebharati Stadium) না খেলা নিয়ে হুমকি দিচ্ছেন, সেই সময়ই ফেডারেশনের(AIFF) কাছে কিশোরভারতী স্টেডিয়ামেই খেলার কথা জানিয়ে দেওয়া হল আবার ইমামি ম্যানেজমেন্টের(Emami Management) তরফে। ক্লাব কর্তাদের সঙ্গে ইমামি ম্যানেজমেন্টের দ্বন্দ্বটা যে এবার আরও প্রকাশ্যে তা কার্যত স্পষ্ট। ক্লাব যুবভারতীর কথা বললেও, ইমামি কিন্তু এবার ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) খেলার আয়োজন কিশোরভারতী স্টেডিয়ামেই করছে। আর তাতেই ফের সরগরম কলকাতা ময়দান। যদিও কিশোরভারতীতে খেলা হলে ইস্টবেঙ্গল কর্তারা মাঠে না যাওয়ার হুমকি আগেই দিয়েছেন। তবে কী ইস্টবেঙ্গল কর্তারা এবার নিজেদের দলের খেলা শুধুমাত্র ফ্যানকোডেই দেখবেন। আইএসএলের আগে এই দ্বন্দ্ব দলের খেলায় আবার প্রভাব ফেলবে না তো। গত বৃহস্পতিবারই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছিলেন দেবব্রত সরকার। একইসঙ্গে তিনি আবার ইমামির ম্যাচ যুবভারতীতে করা নিয়ে আশাবাদী থাকার কথাও বলেছিলেন। কিন্তু তেমনটা হল না। আশাহতই হলেন ইস্টবেঙ্গল ক্লাব কর্তারা। খরচ বাঁচানোর জন্য এবার কিশোরভারতীতে ম্যাচ করার কথা আগেই ঠিক করে ফেলেছিল ইমামি। সেই নিয়ে ক্লাব কর্তাদের সঙ্গে চলছিল চাপানউতোর। এরপরই ক্লাব কর্তারা কিশোরভারতী স্টেডিয়ামে ম্যাচ দেখতে না যাওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন। তাদের সাফ বার্তা ছিল সভ্য, সমর্থকরা সেখানে ম্যাচ দেখতে পাবেন না। তাই কিশোরভারতী নয়। কিন্তু ইমামি ম্যানেজমেন্ট সেই কথা মানল না। দুই পক্ষের দ্বন্দ্ব যে এবার আরও প্রবল হয়েছে তা কিন্তু স্পষ্ট।
বোলারদের দাপটে ফ্রন্টফুটে বাংলা

বোলারদের দাপটে দ্বিতীয় দিনের শেষে ঘরের মাঠে খানিকটা ফ্রন্টফুটে বাংলা। বিশেষ করে মুকেশ, আকাশদীপদের হাত ধরে অন্দ্রপ্রদেশের ব্যাটিংকে প্রথম দিনই সমস্যায় ফেলে দিয়েছে বঙ্গ ব্রিগেড। এদিন অবশ্য এক উইকেটই তুলতে পেরেছিলেন মহম্মদ সামি। দিনের শেষে অন্ধ্রপ্রদেশের রান ৬ উইকেটে ২৬০। সেখানেই তিন উইকেট মুকেশ কুমারের এবং দুই উইকেট শিকার আকাশদীপের। কল্যানীর পিচে শেষ ম্যাচেও পেসাররা বাড়তি সুবিধা পেয়েছিল। অন্ধ্রপ্রদেশের বিরুদ্ধেও তাই চার পেসার দিয়েই দল সাজিয়েছিলেন বঙ্গ কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্লা। আর তাতেই বাজিমাত। শুরু থেকেই এদিন দুরন্ত ফর্মে ছিলেন মুকেশ কুমার, আকাশদীপ। সামি উইকেট না পেলেও, রান দিয়েছেন খুবই কম। আর তাতেই চাপে পড়ে উইকেট হারিয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ। এদিন অন্ধ্রপ্রদেশের প্রধান আকর্ষণ ছিলেন নীতিশ কুমার রেড্ডি। তাঁকেই ৩৩ রানের সাজঘরে ফিরিয়ে দেন মুকেশ কমার। রিকি ভুই বড় রান না করলে অন্ধ্রপ্রদেশ আরও চাপে পড়ে যেতেই পারত। যদিও তা হয়নি। রিকি ভুইকে ৮৩ রানে সাজঘরের উদ্দেশে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন আকাশদীপ। শেষপর্যন্ত দিনের শেষে অন্ধ্রপ্রদেশের রান ২৬০। দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনটা যে বাংলার কাছে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তা বলার অপেক্ষা রাখে না।